রাজবংশী জন জাতিকে নিয়ে লেখা:রাজবংশী /কামতাপুরী ভাষা।

রাজবংশী জাতির জনজীবন”
রোহিত বর্মন
উওর পূর্ব ভারতের রাজবংশী জনজাতির একখানা বড়ো বাসস্থান হইল পশ্চিমবঙ্গের উওর বঙ্গ থাকিয়া নিন্ম আসামেও, এমনকি বাংলাদেশকে ও ছাড়ে নাই হামার এই রাজবংশী জন জাতিরা। এই জনজাতির কিছু কিছু মানষি হামার এই জাতি টাক ছিন্নভিন্ন করি রাখিছে। এই জনজাতির বেশি ভাগ মানষি লায় গরিব, এমরা হাল চাষ করিয়া, অন্য মানষির কামাই করিয়া পেটের ভাত চারটা জোগাড় করে। রাজবংশী জাতির আগত নাম কাম, দাম, ধন, সম্পদ সগে ছিল আর তখন এমরা করি ছিল বাবু গিরি আর আজি এমরা করে মানষির গোলামী। এমার সেই সুন্দর করিয়া হাল বোয়ার কায়দা আজও ভোলা যায় না। গ্ৰামের সেই সুন্দর সুন্দর ছাওনি এলা ঘর গুলা এলাও চোখের আগত ঘুরি বেড়ায় জল জল করিয়া। এই রাজবংশী মানষিলা সগায় কিন্তুু সাদা সিদা, এমারলার সব থাকিয়া মন পচ্ছন্দের গান হইল ভাওয়াইয়া গান সম্রাট আব্বাস উদ্দিন রাখি গেইছে সুন্দর সুন্দর ভাওয়াইয়া গান যা এলাং শোনা জায় হাল বোয়ের সময় হালুয়ার মুখত।
কোচবিহারের তোর্সা নদীর চরত এলাং গেইলে শোনা যায় হালুয়ার মুখত ভাওয়াইয়া গান। দেখা যায় হাল বাড়ির আললির মাথাত বসিয়া খাবার খাওয়া।। বুড়ি, গাবুরালির কোষ্ঠা দোয়া, বিছন তোলো থাকিয়া থেকে রোয়া গারা। আর বিকাল হইলে দেখা যায় এই জনজাতির মানষির বউ বনুসরার চাকলা ধরি বসিয়া মাথার উকুন দেখা, গল্প করা আরো কত কি।। এই জনজাতি মানষিলা ঘর বাড়ির কামাই খুব ভাল করিয়া জানে। এমার লার খাবারও খুব দেখার বিষয়,, আগত মারে মাছ, মাছক শুকিয়া বানায় শুকটা। এই শুকটার বানায় শিদল যেটা এমার লার প্রিয় খাবার।। ঠান্ডার দিনোত শিদলের ভর্তা দিয়া মেলা করি ভাত খায়। খুব ভাল করিয়া জীবন যাপন করতে জানে এই জনজাতির মানষিলা। এই জনজাতির বেশি ভাগ মানষিলা কামাই এর জন্য অন্য রাইজোত যায়া কামাই করে।
নিন্ম আসামত এলাং গেইলে দেখা যায় এই জন জাতির মানষিলা লার মাথাত হলদিয়া গামছার পাগরি। এই খান গামছায় নাকি রাজবংশী মানষিলার চিন। হলদিয়া গামছায় নাকি এমার লার পথিক। রাজবংশী জনজাতির গামছা এমন এখান কাপড় সব সময় নাগে। এই গামছা ছাড়া এই জাতি ন্যাংটা। তোর্সা তিস্তা আর মানসাই নদীর জল যেমন কস্ট দেয় তেমন আশুর বাদ ও করি যায়। কোচবিহারের তোর্সার চরত যিলা মানষি থাকে ওমার লার বাড়িত তোর্সা পীড় ঠাকুরক এলাং দেখা যায়। জলপাইগুড়ির তিস্তার পারত গেইলে দেখা যায় এলাং এমার লার হাল কৃষি চাষ করার কামাই।
এমার লার পচ্ছন্দের খাবার হইল দই চিড়ার সাথত আঠিয়া কলাও আর গু্ড়াও। এই জনজাতির অধিকাংশই মানষি কৃষি কামাইর ওপরত নির্ভর করে।
ঠাকুর রায় সাহেব, বীর চিলা রায়, আব্বাস উদ্দিন এমরা ছাড়া এই জাতি টার গুরুত্বপূর্ণ খুব কম। এই মানষি লা এমার লার জন্য ভাইলা কিছু করিছে যার জন্য এমার স্মৃতি আজো জাতির মনত আছে।।
এই জাতি টার মানষি লার কথা কোওয়া জাগা হিসাবে অল্প আলদা আলদা টান শুর শোনা যায়। এই জন জাতির মানষি লার ভিতরত কিছু মানষি আছে যা এই ভাল জাতি টাক নিয়া খেলা খেলের ধরছে। কাং বানাইছে কামতাপুরী ভাষা,
আর কাং কয় রাজবংশী এই দুই টা ভাষা একাডেমীর ভাল ভাল লোক আছে। আর জাতি টাক মধ্যে তে দুই খান ভাগ করি রাখছে। আর
এই সুবিধা কোনা কাজত নাগাইছে সরকার। এই জাতি টার ভোট পাবার জন্য এই দুই ভাষা গোষ্ঠীর লোক লাক নিয়া রাজনীতি খুব ভয়ংকর রূপ এ ধারন করছে। এই সাদা সিদা সরল জাতি টাক নিয়া যে ,সেই খেলার কি পতন হইবে কোনো দিন। জাতির মানষিলা না বুঝি নেতার নেটু ধরি যাবার নাগছে। আর এই নেতারা নিজের নাম কামানের জন্য জাতি টার ভবিষ্যৎ অন্ধকারত নিয়া যাবার নাগছে। হামার পশ্চিম বঙ্গ সরকার এমন চালাক যে এই ভাষা দুই টাক বানে দিছে ঠিকে কিন্তুু কাজের কাজ করে নাই।
রাজবংশী জনজাতির এই ভাওয়াইয়া গান কি ভোলা যায়। এলাং ভাইলা মানষি আছে যে মনের সুখে ভাওয়াইয়া গান গায়া য়ায। দোতারা এমার সখের বাদ্যযন্ত্র। এলাকার রাজবংশী ছাওলা দোতারা কি জিনিস জানে না, নাম শুনিয়া হাসে।

চোলবে……….

1 thought on “রাজবংশী জন জাতিকে নিয়ে লেখা:রাজবংশী /কামতাপুরী ভাষা।”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *


The reCAPTCHA verification period has expired. Please reload the page.