গোসানী মঙ্গল কাব্যগ্রন্থের অঙ্গনার স্বপ্ন দর্শন, কান্তেশ্বরের জন্ম, কামতেশ্বরী মন্দিরের বড় দেউরীগণ। 

[১ম লহরী]

নাম গুরু নিরন্জন পিতা মাতার শ্রীচরণ
যাঁর তেজে ব্রহ্মান্ড সৃজন। 
নম দেব গণপতি দুর্গা লক্ষ্মী সরস্বতী, 
হরি হর ব্রহ্মা নারায়ণ।। ১
হরেন্দ্রনারায়ণ রাজা বেহারে পূজিত প্রজা 
যাঁর যশে ঘোষে সর্বজন। 
সেই রাজ্যে করে ঘর সাধু সে করুণাকর 
পরম বৈষ্ণব গুণধাম।। ২
তাহার তনয় য়েক পাইয়া চৈতন্য ভেক 
চিন্তে হরি-চরণ-কমল।
তাহে আদেশীলা দেবী কহে রাধাকৃষ্ণ কবি 
সুমধুর গোসানী মঙ্গল ।। ৩
অবনী লোটাইয়া কায় বন্দে গোসানীর পায় 
আদেশ পাইয়া মনে ভয়। 
যেরুপে গোসানী নাম কান্তেশ্বর অনুপাম 
ব্যক্ত হইল আপন ইচ্ছায়।।৪
কান্তেশ্বরে করি রাজা তাহার হইল পূজা 
বর দিয়া করিলা অমর। 
চন্ডী যার পৃষ্ট পুর জিনে রাজা দেবাসুর 
বাহু বলে শাসিল বেহার।। ৫
নম চন্ডী ভগবতী দেবতা করিলে স্তুতি 
কালীরুপে নিসম্ভু বধিলা।
দেবী ঘোর যুদ্ধ করি মহিষাসুর বধ করি 
দেবগণে উদ্ধার করিলা।।৬
ভজ চন্ডী কর পূজা চন্ডী বরে হয় রাজা 
হেলা না করিও চন্ডী পূজা। 
ইন্দ্র করি চন্ডী পূজা অমর হইল রাজা 
রামচন্দ্র কৈল চন্ডী পূজা।। ৭
ক্ষত্রিকূলে ব্যাধ হৈয়া মৃগ মারে বনে গিয়া 
সেই ব্যাধ কৈল চন্ডী পূজা।
কালকেতূ নাম তারে পাইয়া চন্ডীর বরে 
গুজরাটে হইল মহারাজা।। ৮
চন্দ্রবংশে কৈল পূজা ভগদত্ত মহারাজা 
কামরুপেশ্বর মহাবীর।
চন্ডীর পাইয়া বরে, রাজা হইল বেহারে 
ভগদত্ত বৈষ্ণব গম্ভীর।। ৯
কুরুক্ষেত্রে করে রণ যুধিষ্ঠির দুর্য্যোধন 
সংসারের যত রাজাগণ। 
দুর্য্যোধন দুরাচারে বরে ভগদত্ত বীরে 
ভগদত্ত কৈল ঘোর রণ।। ১০
ভগদত্ত অর্জ্জুনে রণ পৃথিবী না সয় টান 
ভগদত্থ অর্জুনে কাটিল।
বেহারে নাহিক রাজা ব্যাকুল হইয়া প্রজা 
অরাজক কত কাল ছিল।। ১১
হইল আকাশি বাণি পূজা কর ভবানি 
পুন হবে রাজ্যের ঈশ্বর। 
গোসানী করহ পূজা সুখে রবে যত প্রজা 
রাজা হবে নাম কান্তেশ্বর।। ১২
শুনিঞা আকাশি বাণি পূজা করে ভবানি
বিল্লপত্র ফল ফুল জল
পূজা পায়া বর দিল ভবানী কৈলাশে গেল 
সুমধুর গোসানী মঙ্গল ।। ১৩
 

[ পয়ার ]

বেহার দক্ষিণে গ্রাম নাম জামবাড়ি
সেই গ্রামে জামবৃক্ষ আছে সারি সারি ।
সুবর্ণ বরণ জাম ফলে বারমাস
বেল শ্রীফল তথা শিব পরবাস ॥ ১৪
পাৰ্বতী সহিতে শিব শীফলের তলে।
রাত্রি বসিয়া কথা কহে নানা ছলে ।
শিব কহে শুন দুর্গা আমার বচন
য়েই রাজ্যে যত লােক সুখি সৰ্বজন। ১৫
সুবৰ্ণ বরণ ফল বেল শ্রীফলে।
ঘরে ঘরে শিব ‘দুর্গা পুজে কুতুহলে।
চণ্ডি কহে বর দেহ ভােলা মহেশ্বর
এই রাজ্যে রাজা হউক নাম কান্তেশ্বর ॥ ১৬।
গ্রাম মধ্যে দিল বর উমা মহেশ্বর
প্রভাতে উঠিয়া গেল কৈলাস শিখর
জামবাড়ি গ্রামে প্রজা নাম ভক্তিশ্বর।
অঙ্গনা তাহার নারী পরম সুন্দর । ১৭
সুক্ল বস্ত্র পরিধান রহে সদাচারে
পতিব্রতা নারি সেই স্বামী ভক্তি করে।
য়েক দিন স্বামী সঙ্গে ভক্তি রসে আছে।
শাস্ত্র প্রমাণ কথা স্বামী স্থানে পুছে। ১৮
গুনিনো ব্রাহ্মণ মুখে পুরান বচন
ধন বর পায় চণ্ডী যে করে পুজন॥
বিশেষ কহিল চণ্ডী আকাশেতে বাণী
যেজন পূজেন চণ্ডী সেই হয় ধনি ॥ ১৯
 

[ প্রথম লহরী]

য়েই রাজ্যে নাই রাজা রাজ্যের পালন।
চণ্ডী পুজিলে রাজা হবে অনুক্ষণ ॥
মনে কহে চন্ডী পুজেো শুন প্রাণেশ্বর।
পুজা করি চাইয়া লই পুত্র ধন বর॥ ২০
ভক্তিশ্বর কহে প্রিয়া আমি যে দুঙ্কৃতা।
কি লোভে করিবে দয়া জগতের মাতা।। 
করহ চণ্ডীর পূজা দিয়া ফল মুল।
ইহাতে চণ্ডিকা যদি ধরে অনুকুল ॥ ২১
পূজায়ে চণ্ডিকা যদি দেয়ে ধন বর।
করিব চণ্ডীর পুজা সপ্তমীর পর।
আলাপেতে অর্দ্ধরাত্রি দোহে নিদ্রা গেল ।
শিয়রে বসিয়া চণ্ডী স্বপন করিল ॥ ২২

[ অঙ্গনার স্বপ্ন দর্শন]

শুন শুন ভক্তিশ্বর সুনহ অঙ্গনা।
তােমার তধিক প্রিয় নাই কোনজনা।। 
করহ আমার পুজা দেম ধন বর।
তােমার তনয় হবে রাজ্যের ঈশ্বর। ২৩
সত্য করি কহোঁ ব্যর্থ না হবে বচন।
মাের বরে তাের পুত্র হইবে রাজন।
রাখিবা পুত্রের তুমি কান্তনাথ নাম।
য়েহি কথা কহি চণ্ডী হইল অন্তর্ধ্যান॥ ২৪
রাত্রি অবসানে যে চৈতন্য ভক্তিশ্বর।
ধীরে ধীরে কহে কথা অঙ্গনা গােচর।
স্বপ্নে শুনিনাে মুই চণ্ডীর বচন।
মাের পুত্র কান্তনাখ হইবে রাজন। ২৫
অঙ্গনা বলেন প্রভু য়ে কথা নিশ্চয়।
শিয়রে বসিয়া ঢণ্ডী মাের কণ্ঠে কয় ॥
করিব চণ্ডীর পুজা মনে হৈল সার।
অবশ্যে আমার পুত্র হবে নৃপবর ॥ ২৬
প্রাতঃক্রিয়া করি দোহে জামবাড়ি গেল।
জন্মফল শ্ৰীফল বিল্লপত্র নিল।। 
জবা ফুল আমলখি বেল ফুল সীতা ।
পদ্ম কুমুদ সাজী ভরে অপ্রাজীতা ।। ২৭
কদলীর ফল আদি যত ইতি ফল ।
চন্ডী পূজার নাগি আনিল সকল ।।
গােময় ছিটায়া করে স্থান সমস্কার।
অঙ্গনা সহিতে স্নান করে ভক্তিশ্বর ॥ ২৮
পদ্মপত্র সারি সারি বসায় পুজার।
টণ্ডুল কদলি জাম তাহার উপর ॥
শ্ৰীফল আমলখি যতেক উপহার।
মধু ঘৃত চিনি আদি যত ইতি যার। ২৯
ধুপদীপ মধুপর্ক আগর চন্দন।
সিন্দুরের ফোটা দিল করিয়া যতন।
বিল্পপত্র দুর্ব্বা ক্ষত দিল পুষ্পাঞ্জলি ।
জল পুষ্প হাতে দেয় মুখেতে উললী ॥ ৩০
 

[ ২য় লহরী ]

গলায় বসন বান্ধি চাহে ধন বর।
অঙ্গনা সহিতে স্তব করে ভক্তিশ্বর ॥
সুপ্রসন্ন হইয়া মা দেও ধন বর।
তােমার মহিমা রবে সংসার ভিতর ।। ৩১
বর দেহ চণ্ডিকা সুপ্রসন্ন মনোহর।
হইবে আমার পুত্র তােমার কিন্কর ।।
জগত পালন মাগাে জগত জননী।
দুঃখ বিমোচন কর চণ্ডিকা ভবানী ॥ ৩২

[ চণ্ডী বন্দনা]

নম মাতা ভগবতী জগত ঈশ্বরী।
নমঃ নম চণ্ডিকা মা ব্রহ্মাণি শঙ্করী।। 
ব্রহ্মাণি মঙ্গলা নম অস্বিকা ইন্দ্রানী।
কালরূপ যােগেশ্বর নম: নারায়ণী ॥ ৩৩
কামাক্ষা কালিকা নম মৃগ যে বাহিনী।
মহানন্দা ভবনাশ্ব নমস্তে ভবানী।। 
ভদ্রকালি বিজয়াশু নম কাত্যায়নি
মহামায়া রক্তদন্তা নম দেব মুনি।। ৩৪
শুলধারি রক্তবিজ নম মুণ্ডমালী
উমা মহেশ্বরি নমঃ দুর্গা উগ্র কালী।। 
সুরস্বার চণ্ডমুণ্ড নম রামেশ্বরী
সিংহ বাহিনী নমঃ বিমলা সু্দরী ।। ৩৫
পরমেশ্বর উগ্রচণ্ডা নম মহেশ্বরী
অন্নপূর্ণা বৈষ্ণবী নমঃ হরের সুন্দরী।। 
য়েই মতে ভগবতী করেন স্তবন
তুষ্ট হইয়া চণ্ডিকা দিলে বর দান।। ৩৬
আকাশী বচনে চণ্ডী দিলেন উত্তর
পাইলাে তােমার পুজা সুন ভক্তিশ্বর।।
পুত্রবর ধনবর দিলাম তােমারে
তাের পুত্র রাজা হবে জামবাড়ি নগরে।৷ ৩৭
বর দিয়া চণ্ডিকা গেল কৈলাস ভুবন।
য়েথা অঙ্গনা কৈল পুজা সমাধান ॥
য়েই মতে পুজা কৈল সম্পুর্ণ বচ্চর ।
সপ্তমী সংযম করে অষ্টমী জাগর ৷। ৩৮
কত দিনে অঙ্গনার ঋতু অবসান ।
গুরুবারে ভক্তিশ্বর কৈল গর্ভ ধান ।
য়েক মাস গর্ভ হইলাে চণ্ডিকা জানিল
অঙ্গনার কথা গিয়া পদ্মাক কহিল॥ ৩৯
শুন মাও পদ্ম কুমারি বিষহরি।
জমবাড়ি নগরে রাজা হবে ছত্রধারি ॥
য়েতেক সুনিয়া পদ্মা সর্প পাঠাইল ।
অঙ্গনার উপরেতে ফণি দোলে গেল।। ৪০
ক্রমে ক্রমে দুই মাস হইল যখন
দিবা রাত্রি আলিস্য হয় দেখেন স্বপন ॥
চতুর্দিকে সর্পগণ থাকে ফণি ধরি
দেখিয়াত মনে ভয় কানীছে সুন্দরি। 8 ১
ভগবতীর স্মরনে পাইল চৈতন ।
সর্প নাই কীবা ভ্রম, ভাবে মনে মন ।।
সর্পের যতো কথা অঙ্গনা নাহি কয়।
মনে মনে চিন্তে চণ্ডির বচন অভয় ।। ৪২
তিনমাস হৈল গর্ভ অঙ্গনার সুখ।
মনে কহে চণ্ডী মোর ঘুচাইবে দুখ ॥
চতুর্থ মাস গর্ভ হইলেন যখন
শরীর হইল ভার চিন্তে অনুক্ষন ॥ ৪৩
পঞ্চ মাস হইল গর্ভ ঘটিল প্রমাদ।
নারীর বেভরে যেই খাইতে চায় সাধ ॥
আদ্রক নবন মুড়ি খই কলা চিনি
দধি অম্বল ঘােল আর লােন পানি।। ৪৪
পোড়া মাটি সোন্দাপানি খায় অনুক্ষন।
নারিকেল জল খায় পিবসা বারন ।
য়েই মতে নানা সাধ অঙ্গনা খাইল ।
পঞ্চ মাস গর্ভ পরে ছয় মাস হইল ॥ ৪৫
ছয় মাস খায় নারী দধি অম্বল ।
সপ্তম মাসত খায় দাড়িম্বের জল ॥
অষ্টম মাসে কলা চিনি খাইত হয় মন
ভক্তিস্বর আনি দেয় করিয়া যতন । ৪৬
নব মাসে মধু খায় শরীর দুর্বল।
দশম মাসত নারি খায় গঙ্গা জল।। 
য়েই মত খায় সাধ পুরে দশ মাস
অঙ্গনার ঘরে পুত্র হইল প্রকাশ।। ৪৭
 

[ কান্তেশ্বরের জন্ম]

ভক্তিশ্বর পুত্র পাইল পদ্মা জানিল ।
আকাশে থাকিয়া সর্প ফণি দোলাইল ।। 
পুত্র লাভে অঙ্গনার আনন্দ অপার
পুত্র দেখি আনন্দিত হইল ভক্তিশ্বর। ৪৮
জাত কর্ম আদি যত সকলি করিল ।
অন্নপ্রাসন করি মাথে চুড়া দিল।। 
লগ্নে গনিয়া যত কহে দ্বিজবর।
জাতক বেভারে শান্তি কৈল ভক্তিশ্বর॥ ৪৯
য়েক দুই করি হইল পঞ্চম বচ্ছর।
ছাইলার হাতে খড়ি দিল ভক্তিশ্বর ॥
কান্তনাথ বুলি নাম গনকে থুইল।
সেই নাম ধরি তারে হাতে খড়ি দিল॥ ৫০
পঞ্চ বচ্ছর মধ্যে বাঙ্গালা শিখিল।
নাগরি আরবি পার্সি সকলি পড়িল।
তন্ত্র মন্ত্র শাস্ত্র বেদ পড়ে রাজ নিত্য।
ব্যাকরন কাব্য শাস্ত্রে হইল পন্ডিত।। ৫১
পণ্ডিত হইল পুত্র দেখি ভক্তিশ্বর।
রাজ লক্ষ্মন কহে অঙ্গনা গোচর ।। 
গরীবের ঘরে চণ্ডী দিলে পুত্র দান
বস্ত্র অলঙ্কার দিতে নাই কিছু ধন ॥ ৫২
চন্ডী বরে হবে রাজা আমার তনয়।
রাজার লক্ষ্মন পুত্র বস্ত্র নাই গায়।। 
মনে ভাবি ভক্তিশ্বর নিশ্বাস ছাড়িল।
আকাশি বচনে চণ্ডী উপদেশ দিল ॥ ৫৩
প্রভাতে পাইবা ধন বস্ত্র অলঙ্কার ।
তোর পুত্র হবে রাজা শুন ভক্তিশ্বর।।
আকাশি বচন শুনি নমস্কার কৈল ।
উপবাস জাগরনে চন্ডী য়ারাধিল । ৫৪
যুগুনী পাঠায় চণ্ডী বস্ত্র অলঙ্কারে।
নারী-রূপে প্রবেশিল ভক্তিশ্বর ঘরে।। 
য়েই গ্রামে থাকি আমি যত নারীগন
আশির্ব্বাদ করি দেখি তােমার নন্দন।। ৫৫
পঞ্চ বচ্ছর ছেইলার অর্দ্ধ কৈশর ।
নারী-রূপে যুগুনী পরায় অলঙ্কার ॥
বস্ত্রভরন দিয়া আশীর্ববাদ দিল ।
নিমিষে যতেক নারী অন্তর্ধ্যান হৈল ।। ৫৬
ভক্তিশ্বর চিন্তে সদা চণ্ডীর বচন ।
তখন জানিনাে দুক্ষ হবে বিমচন ।। 
য়েক দিন কান্তনাথ শুইয়া নিদ্রা যায়।
হস্তে পদে পদ্ম দেখি অঙ্গনা বিস্ময়।। ৫৭
ধায়া গিয়া কহে নারি স্বামীর গোচর।
দেখি মহা চমৎকার হৈল ভক্তিশ্বর।। 
ভক্তিশ্বর কহে প্রিয়া তুমি ভাগ্যবতী।
হেন মহাপুরুষ তাের গর্ভে হইল স্থিতি।। ৫৮
অঙ্গনা কহেন ছাইলা যখন জন্মিল ।
হস্তে পদে য়েই পদ্ম তখন না ছিল ।। 
না ছিল য়েমন পদ্ম না করি বিশ্বাস।
জন্মকালে ছিল পদ্ম হইল প্রকাশ।। ৫৯
চণ্ডী দিয়াছে বর কভু মিথ্যা নয়।
য়েই পুত্র হইবেক ভুবন বিজয় ।। 
মহা আনন্দিত যে অঙ্গনা ভক্তিশ্বর।
য়েক মনে চিন্তে দোহে উমা মহেশ্বর ।। ৬০ 
 

পরবর্তী অংশের জন্যে নিচত ক্লিক করেন..

কামতেশ্বরী মন্দিরের বড় দেউরীগণের বংশাবলী

১। রতিনাথ ঝা।

২। রামচন্দ্র ঝা।

৩। রঘুনাথ ঝা।

৪। শতজীব* ঝা।

৫। প্রদ্যুত ঝা।

৬। বীরনারায়ণ ও হরপতি ঝা।

৭। গঙ্গাপ্রসাদ ঝা (বীরনারায়ণের পুত্র)।

৮। কৃষ্ণনারায়ণ, বিষ্ণুপ্রসাদ, ভবানীপ্রসাদ ও শিবনারায়ণ ঝা।

৯। কালীপ্রসাদ ঝা (ভবানীপ্রসাদের পুত্র) 

১০। খড়গনাথ ঝা (ভবানীপ্রসাদের কৃত্রিম পুত্র)

১১। যজ্ঞনাথ ঝা (খড়গনাথ ঝার ১ম পুত্র)

১২। কাশীনাথ ঝা (খড়গনাথ ঝার 2য় পুত্র)

(পরবর্তীতে কায় দেউরী হৈচেন বা এলা বর্তমানে কায় আছেন, কাংও জানিলে দয়া করি কমেন্টত জানে দিবেন) 

References: Gosani Mangal by Shri Harishchandra Pal and Gosani-Mangal by Shri Nripendranath Pal. I observed some differences in words/sentences between these two books. The above words are mainly taken from Gosani Mangal by Shri Harishchanda Pal.

Share this:

Leave a comment