পণপ্রথা ও সতীদাহ কামতা কোচ রাজবংশী সংস্কৃতি বহির্ভূত !

মায়ালোকলা এলা স্বাধীন কিন্তুক তেঙ্গও উম্রা নৃশংসতার ভয়াবহ জুই থাকি মুক্ত নাহয়। হয় পণ দেওয়া অথবা সতী দাহ প্রথা এই দুইএর মর্মান্তিক পরিণতি মায়ালোকলাক দীর্ঘদিন থাকি জরে পলটে আছে। মায়ালোকলাক সৌগসমায় শোষণ আর দমন করি রাখা হয়।

খুবে হৈ হোল্লোর মজা আনন্দ করি বরের বাপ মাও উমার বাড়িত নয়া কৈনাক স্বাগত জানায়। নয়া কৈনা চখুর জল ফ্যালে নয়া জীবন সঙ্গীর উপরা আস্থা রাখি মেলা আশা নিয়া বাপের বাড়ি ছাড়ি শ্বশুর বাড়ি আইসে, শ্বশুর বাড়িক নিজের বাড়ি বুলি মনে করে। কিন্তুক শ্বশুর বাড়ির মানষি নয়া কৈনাক ব্যাঙ্কের খালি চেক মনে করে,যেন সদায় দিনে সোনার ডিমা দেওয়া হাস নিয়া আসিছে বাড়িত।

কয় দিন যাইতে না যাইতেই শুরু হয়া যায় শ্বশুর বাড়ির আসল খ্যালা। হয়রানি করা শুরু হয়া যায় নয়া কৈনার উপরা। পদে পদে খোটা দেওয়া, ব্যঙ্গ বিদ্রুপ করা। যেকোনো ভাল্ কামাইয়ে করুক না ক্যানে কুল্লায় চখুর বিষ হয়া দাড়ায় শ্বশুর বাড়ির মানষিলারটে। এংকরি চলিতে চলিতে সেই ভয়াবহ দিনগুলা আইসে যেদিনগুলাত সাকাল থাকি সৈন্ঝা পর্যন্ত চলে ঐত্যাচার আর পরবর্তীতে নৃশংস হত্যা। আর ঐ হত্যার পরও উয়াক পেট্রোল বা ঐনাখান কোনো দাহ্য বস্তু দিয়া জুই নাগে পুড়িয়া ছাই করি দেওয়া হয়। কোনো কোনো বাপ মাও বেটির সমর্থনে আইনি পদক্ষেপ নেয় উয়ার শ্বশুর বাড়ির মানষিলার বিরুদ্ধে। কাংও কাংও বেটিক উয়ার লম্পট স্বামী/ভাতার বা ঐত্যাচারী শ্বশুর শ্বশুরীর উপরা ছাড়ি দেয়। উয়াক দ্যাখারও আর কাংও থাকেনা, নিশ্চিত মৃত্যুর জন্যে বেচারী বাচচে থাকে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মধ্য দিয়া।

যদিও বা যৌতুক দেওয়ার পর শ্বশুর শ্বশুরীর কৃপায় নয়া কৈনার জীবন শান্তিতে কাটে আরো এখনা রীতি হৈল্ স্বামীর চুলাত নিজের জীবন উৎসর্গ করা। তবে অনেক গবেষকের মতে নাকি এটা মায়ালোকলার স্বেচ্ছা মৃত্যু ছিল পুরানা দিনত, মায়ালোকলা নিজেই সিদ্ধান্ত নিছিলেন যে উমার স্বামীর মৃত্যুর পর উমরাও একে চিতাত নিজের জীবন উৎসর্গ করিবে। তবে উত্তর ভারতের কিছু এলাকাত গেরামের মাতব্বর আর গোঁড়া মানষির দ্বারা বলপূর্বক বিদুয়াক জোর করি স্বামীর চিতাত তুলি দেওয়া হৈচিল। রাজস্থান আর বাংলার কোনো কোনো জাগাত এই সতী দাহ প্রথার চল থাকিলেও কামতা ভুমিত এই নিষ্ঠুর প্রথার চল একেবারে ছিলনা। কামতা ভুমিত বিদুয়া মানষির পুনরায় বিয়াও হৈচিল। কোনো কোনো সম্প্রদায়ের ভিতরা বেটা ছাওয়ার একাধিক বিয়াওয়ের চল ছিল। এই কুপ্রথা বন্ধ করার জন্যে কিছু মুঘল শাসক চেষ্টা করছিলেন, পরবর্তীতে রাজা রামমোহন রায় আর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর চেষ্টাত ব্রিটিশ সরকার 1829 সনে আইন করি নিষিদ্ধ করে।

It is Dowry or Sati, the women are burning like a ball of fire due to the reasons that they are considered a symbol of sorrow. Yet Some parents even get into chagring with the birth of a girl child in several parts of India. Sons are more pampered than the daughters and husbands are literally the god for their wives.

BOOK: BROKEN MIRROR / LIVING DOWRY / DEFENCE AGAINST DOWRY CASE

If not exactly burning for dowry or as sati, but women in India were and will suffer harassment either physically, emotionally or mentally, until or unless her parent feel proud to be the father and mother of a Daughter.

যেদিন বাপ মাও বেটির জন্ম দিয়া গর্ব করি কৈবে মোর বেটি হৈচে বা মুই বেটির বাপ হচুং সেদিন থাকি হয়ত বা পণপ্রথার নাকান সমাজের এই কলঙ্কের হাত থাকি মুক্তি পাওয়া যাইবে। আক্ষেপের বিষয় এই যে আগত পণপ্রথার চল কামতা ভুমিত না থাকিলেও ইদানিং কালে অনেক ক্ষেত্রত লক্ষ্য করা যায়, যা বহির্জগত থাকি আমদানী হৈচে বুলি অনেকে মনে করেন।

BOOK: DOWRY DEATHS / DOWRY MURDER

Share this:

Leave a comment

Enable notifications on latest Posts & updates? Yes >Go to Home Page or Non Amp version Page and \"Allow\"