কোচ রাজবংশী জাতি নিয়া গালিগালাজ করা কোচবিহারের সমাজ বিরোধী তোলাবাজলার বিরুদ্ধে কি পদক্ষেপ নেওয়া হৈল্?

কোচবিহারের গুন্জবাড়িত বাড়ি কিনিয়া এলাকার মস্তান, তোলাবাজলার 10 লক্ষ টাকা ডিমান্ডের ফান্দত, সেইটাত রাজি না হৈলে গালা ধাক্কা দিয়া উমার লোন করা টাকা দিয়া কেনা বাড়ি হাতে বির করি তালা মারি দেওয়া এবং কোচ রাজবংশী জাতিক নিয়া অকথ্য গালিগালাজ (কোচ রাজবংশীলা মাথামোটা, SC ST তে চাকরী পাওয়া সহ যা ল্যাখার অযোগ্য এমন কুরুচিকর গালি)। উপায় না দেখি জনৈক শিক্ষক ভদ্রলোক কোচ রাজবংশী সংগঠনের উপরা আস্থা রাখি চিঠি দেয় তার এই করুন অবস্থার।

মানী শিক্ষক বিনয় বর্মনের পত্র

কোচ রাজবংশী সংগঠনলা যথারীতি আগেয়া আইসে উমার পাশত, উমার বাড়ি যায়া ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ শুনি পুলিশক FIR করে।

এলাও পর্যন্ত পুলিশের কোনো ইতিবাচক ভুমিকা দ্যাখা গেইল্ না সমাজবিরোধী, তোলাবাজলার বিরুদ্ধে।

হামার নিউজ, হামার খবর, সাইনিউজ সহ আরো কিছু মিডিয়া এই ঘটনার পূর্ণ সাক্ষী থাকে। এবার দ্যাখার পালা পুলিশের ভুমিকা নিয়া এই মিডিয়ালা পত্তিদিন কি আপডেট দেয় সাধারণ মানষিক।

মিডিয়াগুলাক আটুশ কোচবিহারের পৌরপিতা ভূষণ সিং, রাজবংশী ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান মানী বংশীবদন বর্মন সহ আরো যেসকল মানষি পদ নিয়া বসি আছে উমার মিডিয়া বাইট নিবার। আর বাইট যেদু না দেয় বা না দিবার চায় সেইটাও প্রকাশ করো।

ঘটনাক্রমে ভুক্তভোগী আর রাজ্যের SC ST দ্তরের মন্ত্রীর নাম প্রায় একে। ভুক্তভোগীর নাম মানী বিনয় বর্মন, পেশায় শিক্ষক আর মন্ত্রী মহোদয়ের নাম মানী বিনয় কৃষ্ণ বর্মন, ইমরাও পেশায় শিক্ষক ছিলেন। দোনেজনে কোচ রাজবংশী জনগোষ্ঠীর । জনৈক এক ভদ্রলোক কৈলেন যে মন্ত্রী বিনয় কৃষ্ণ বর্মনক চিঠি লেখো বা জানাও।

কথা হৈল্ সোসাল মিডিয়াত এত হৈচৈ হবার ধৈরচে, চিঠির কপি সগারে প্রোফাইলত ঘুরি ঘুরি ব্যাড়ের ধৈরচে মন্ত্রী কি এলাও ব্যাপারটা জানে নাই। উমাক কি নিমন্তন দিয়া আনা খাইবে নাকি কোচবিহারের গুন্জবাড়িত? সত্যিকারের জাতির সেন্টিমেন্ট থাকিলে বা জননেতা হৈলে সগারে আগত দৌড়াইলেক হয় গুন্জবাড়ির ঐ মাস্টারের বাড়িত। আসলে ইমরালা হৈল্ তৈয়ার ন্যাতা, যায় তৈয়ার করিচে তারটে আছে রিমোট কন্ট্রোল। রিমোট অন করিলে আগাইবে, না অন করিলে একে জাগাতে চ্যাপ্টা নাগি রৈবে।

এই জঘন্য ঘটনার দুইটা ব্যাপার আছে, এক হৈল্ জমি মাফিয়ার তোলাবাজি, আর এক হৈল্ জাতি নিয়া গালাগালি, SC /ST নিয়া অশালীন, অসাংবিধানিক কটুক্তি । মাননীয় মন্ত্রী বিনয় কৃষ্ণ বর্মন যেদু পদক্ষেপ না নেয় বা নিবার না পায় তালে কেন্দ্রীয় SC ST দপ্তরত একবার টোকা দেওয়া ছাড়া উপায় থাকিবে না। আর তার পরেও যেদু কোনো অ্যাকশন না হয় তালে ভারতের প্রেসিডেন্ট অফিসত এখনা চিঠি অবশ্যই করার দরকার আছে। আর তারপরেও যেদু কিছু নাহয় তালে আইনক সাথত নিয়া গাইন ছাড়া উপায় নাই কোচ রাজবংশী মানষির। পত্তিটা ক্ষেত্রে মিডিয়া য্যানে অবশ্যই থাকে।

এবার তোলাবাজলার কথাত আইসা যাক। সোসাল মিডিয়াত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী (গুন্জবাড়ির পাড়ার মানষিলারটে থাকি নেওয়া যদ্দুর সম্ভব, উমরালাও অতিষ্ঠ হয়া গেইচে টাকার জুলুমত) যে কয়টা নাম ভাসি আসিছে তার মধ্যে রাজীব কর্মকার, কান্চন তালুকদার, রন্জন চক্রবর্তী (ইমরা আরো ফির ওটিকার ভারত ক্লাবের সেক্রেটারি), পিন্টু হালদার, রাজু মহন্ত আরো রানা বিশ্বাস। এইলা সৌগ ওটিকার ভারত ক্লাব ও ব্যামাগারের সদস্য। ইমার কাজে হৈল্ মানষিরটে জোর জুলুম করি টাকা আদায় করা। আর না দিলেই ধমকি, অকথ্য গালিগালাজ । রাজীব কর্মকার মহোদয় আরো ফির সমাজ সেবা করে, মরণোত্তর দেহ দান করিচে, ভিক্ষুক ওক পাইসা দেওয়া ছবিও আছে, সেবাই বোলে পরম ধর্ম এই মহান সমাজবিরোধী তোলাবাজের। সূত্রের খবর এই রাজীব কর্মকার নাকি 2008 সালত বাংলাদেশ থাকি আসি PWD দপ্তরত চাকরী করির ধৈরচে। আর এটিকার পাশ করা গাবুর চেংরালা চাকরী নাপায়া বেকার হয়া ঘুরি ব্যারের ধৈরচে। উনার এই চাকরী পাওয়ার ব্যাপারটাও যাতে তদন্তের মধ্যত পড়ে।

পোশনো হৈল্ এইলার পাছিলাত কায় কায় আছে যায় এইলাক আশ্রয় পোশ্রয় দিবার ধৈরচে? নাহৈলে কোচ রাজবংশী জাতি নিয়া কুকথা কওয়ার সাহস পায় কোটে থাকি? এই সমাজ বিরোধীলা কি জানে কোচ রাজবংশী কি জিনিস? কত গভীরতার সাথত এই অন্যায়ের বিচার করির পায় যেদু পুলিশ, মন্ত্রী হাত গোটো করি বসি থাকে। জমানা বদলিচে রে তোলাবাজের দল। কোচবিহারের গুন্জবাড়ির ভারত ক্লাব এর সেক্রেটারি রন্জন চক্রবর্তীর ভুমিকা আরো মারাত্মক। শিক্ষক বিনয় বর্মন যেলা উপায় না দেখি ক্লাবের সেক্রেটারি রন্জন চক্রবর্তীরটে গেইচে যাতে উমাক উমার বাড়িত ঢুকির দেয় আর ব্যাপারটা মিটমাট করি দেয়। এই রন্জন চক্রবর্তী কৈছে যে এই তোলাবাজগুলা বোলে উয়ার কন্ট্রোলে নাই। আর যেলা বিনয় বাবু কোচ রাজবংশী সংগঠনক চিঠি দিয়া সাহায্যের আবেদন করে। সোসাল মিডিয়া বা কোনোটে থাকি খবর পায়া তড়িঘড়ি ফোন করে বিনয় বাবুক যে আইসো, হামার সাথত বৈসো, চেংরালা ভুল ভাল কয়া ফেলাইচে, ব্যাপারটা মিটমাট হয়া যাউক, তোমরা তোমার বাড়িত ঢোকো। তালে বুঝি নেও সেক্রেটারির ভুমিকা । উপরাত সমাজ সেবা আর ভিতরাত তোলাবাজি, গুন্ডামীর আস্তাকুর।

যাইহোক শিক্ষক বিনয় বর্মন উমাকো ঠিকে উত্তর দিচে যে ব্যাপারটা এলা উমার হাতোতো নাই, যা দ্যাখার কোচ রাজবংশী সংগঠনে দেখিবে। আর হ্যা উত্তরের সৌগ কোচ রাজবংশী ইয়ার আগ পাছ দেখি ছাড়িবে।

তোলাবাজ, ভন্ড সমাজসেবী, চাইরানার গুন্ডালার ছবি ও সাধারণ মানষির বিবৃতি নিচত লিংক দেওয়া আছে কুল্লায় দেখি নেন।

কোচ রাজবংশী তোমরালা জাগো, সমাজটাক দেখো, খালি সোসাল মিডিয়াত না, রাস্তাত নামো। নাহৈলে একেবারে ভিখারী হয়া রাস্তাত নামা খাইবে। তোমারলার নিষ্ক্রিয়তার ফল তোমার পরের প্রজন্ম ভোগ করিবে।।

Share this:

Leave a comment