রাজন্য শাসিত কুচবিহারের পদ ও পদবী।

যতো ধর্ম, স্ততো জয়।।

Where There is Virtue, There is Victory

রাজন্য শাসিত কুচবিহারের পদ ও পদবী

লেখক: কুমার মৃদুল নারায়ণ
কুমার মৃদুল নারায়ণ

কুচবিহার নামটি এখন একটি জেলার পরিচয় দান করে। কিন্তু এই নামটির সঙ্গে জড়িত আছে প্রাচীন সাম্রাজ্যের স্মৃতি-করদ মিত্র রাজ্যের ছায়া তথা আন্তর্জাতিক প্রভাব। আর আছে ইতিহাসের বিচিত্র ঘটনা আর গতি। এই ধারায় কুচবিহার বিবর্তিত হয়ে এসেছে প্রাগজ্যোতিষ কামরুপ-কামতা-কামতাপুরের স্তর পেরিয়ে। এদের সংকুচিত রূপ হচ্ছে আজকের কুচবিহার। মহারাজা নৃপেন্দ্র নারায়ন এর রাজত্বকালে (আদেশবলে ) 13-04-1896 খ্রীস্টাব্দে কুচবিহার গেজেটে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রচার করে কুচবিহার নাম চালু হয়। মহারাজা বিশ্ব সিংহের সময় থেকে মহারাজা জগদ্দীপেন্দ্র নারায়ণের আমল পর্যন্ত রাজকার্যের প্রয়োজনে কিছু পদ-পদবীর সৃষ্টি হয়েছে । ধারাবাহিকভাবে কিছু নমুনা তুলে ধরা হলো-

দেওয়ান

বিভাগীয় প্রধান রাজস্ব ভূমি ও প্রশাসনের বিভিন্ন দিকের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক নর নারায়ণের আমলে “কারজি দেওয়ান” ছিল। যে দেওয়ান প্রকল্প গুলির কার্যকর ব্যবস্থা করতেন তিনি কারজি দেওয়ান । কায়স্থ দেওয়ানেরও পদ ছিল , মূল দেওয়ানের আদেশে যারা লিখিত ভাবে কার্যকর করেন তারা “কায়স্থ দেওয়ান “। রাজধানীর ভিতরের বিষয়গুলি যারা দেখাশোনা করতেন তাঁরা ছিলেন “ভিতর দেওয়ান “।

নাজির

দেওয়ানের অধীনস্থ নাজিরের পদ। তিনি শাসনকার্য এর লক্ষ্যে খাজনা আদায় করতেন, আদালত ও বিভিন্ন দপ্তরের কার্যাবলী দেখাশোনা করতেন। নাজিরা জায়গীর পেতেন। জায়গীর স্থান থেকে তিনি শাসনকার্যের কাজগুলো করতেন। তবে রাজবাড়ীতে ও তাদের বাসস্থান ছিল। বলরামপুরের নাজির খগেন্দ্রনারায়ন বলরামপুর থেকেই কার্যনির্বাহ করতেন।আবার ছত্রনাজির পদও ছিল । খোদ রাজবংশের লোক যখন রাজার অভিষেকে ছত্র ধারণ করতেন তখন তারা হতেন ছত্রনাজির। তবে ব্যতিক্রমও আছে । মহারাজা প্রাণনারায়ণের আমলে ভুবনেশ্বর মিশ্র নামে এক ব্রাহ্মণ ছত্রনাজির হয়েছিলেন । আবার প্রাণনারায়ন নাজিরের পদ বিলুপ্ত করে সেনাপতির পদ সৃষ্টি করেছিলেন ।

বক্সী

রাজার ধর্মীয় কাজে বিশেষ প্রতিনিধি। বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের রাজার তরফ থেকে প্রতিনিধিত্ব করতেন এই বক্সীরা। কোচবিহার দেবোত্তর ট্রাস্ট বোর্ডের প্রাক্তন কর্মী স্বর্গীয় অমিও দেব বক্সীর মতে এরা মূলত দেব পদবীধারী। শ্রীমন্ত শংকরদেব এর লাইনেএরা তার আত্মীয়। মহারাজা নর নারায়ণের আমলে এদের আগমন। ধর্মীয় কাজে এরা মুখ্য ভূমিকা পালন করেন। মদনমোহনের রথের রশিতে প্রথম টান, আবার দোলের সময় মদনমোহনের মূর্তিতে প্রথম আবির এরাই দেন। রতি দেব বক্সী , হরিপ্রসাদ বক্সী, ললিত বক্সী বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব । কুচবিহার রাজ্যে রতিদেব বক্সীর অবদান স্মরণে রতিদেব বক্সী বালিকা বিদ্যালয় স্থাপিত হয়েছিল। পরবর্তীকালে এই বিদ্যালয়টি “সুনীতি অ্যাক্যাডেমি” নামে পরিচিত হয়।

মহাসামন্ত

রাজার কাছ থেকে জমি নিয়ে যারা শাসন করতেন এবং প্রজাদের কাছ থেকে খাজনা সংগ্রহ করতেন, তাদের সামন্ত বলা হত। সামন্ত দের মধ্যে যিনি বেশি ক্ষমতাশালী ও রাজার কাছে দায়বদ্ধ তাকে মহাসামন্ত বলা হত।

বড়ুয়া

বড় ভুখণ্ড এদের অধীনে থাকতো। খাজনা আদায় ও প্রজা পালন করতেন এরা । মহারাজের শাসনের প্রতি এরা দায়বদ্ধ থাকতেন। গৌরীপুর রাজপরিবারের প্রকৃতীশ বড়ুয়া, প্রমথেশ বড়ুয়া, প্রতিমা বড়ুয়া, প্রবীর বড়ুয়া উল্লেখযোগ্য পরিচিত নাম।

লস্কর

সেনা বিভাগের আইন রক্ষার কর্মী বিশেষ। এরা জল বিভাগে কাজ করতেন। মহিম লস্কর এই বংশের একটি পরিচিত নাম।

ভূঁইয়া

ভূমির অধিকার ভোগ করতেন যারা, তারা ভূঁইয়া। জমি ভোগের বিনিময় এরা রাজাকে শাসনকার্যে এবং সীমান্ত রক্ষায় সাহায্য করতেন।মহারাজা বিশ্ব সিংয়ের পিতা হারিয়া মন্ডল এদের পরাজিত করে রাজ্য স্থাপন করেছিলেন।

পাত্র

রাজার সভাসদ কে পাত্র বলা হত। তবে প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রেও এদের ভূমিকা ছিল। কাছাড় বিজয়ের সময়ে চিলারায় রাজেন্দ্র পাত্রকে প্রতিরক্ষার কাজে ব্যবহার করেছিলেন।

কন্দলী

কেন্দুকলায় পদবীধারী এক সাধক ব্রাহ্মণ দক্ষিণাতর থেকে কামরূপে এসেছিলেন। তার বংশধররা অপভ্রংশে ‘কন্দলী’ পদবী ধারণ করেছিলেন। অনন্ত কন্দলী নামের বিশিষ্ট ব্রাহ্মণ নরনারায়ন প্রতিষ্ঠিত মদনমোহন মন্দির প্রথম পূজা করেছিলেন।

মেধী

রাজবংশীদের মধ্যে অধিকারী সম্প্রদায়ের একটি শাখা। অধিকারীরা গৃহস্থের বাড়িতে গৃহদেবতার উদ্দেশ্যে নৈবেদ্য দান করেন। ব্রাহ্মণ এর পরেই এদের স্থান। রাজবংশীদের শৌচাদি ক্রিয়া সমাপনের পরে শেষ শুদ্ধিক্রিয়া অধিকারীরা করেন। মেধী, নারা এই অধিকারীদের শাখা। মেধীরা রাজার যজ্ঞকার্যে ব্রাহ্মণদের সাহায্য করতেন। ডাওয়াগুড়ির হীতেন মেধি, উত্তরবঙ্গ রাজ্য পরিবহন সংস্থার একজন কর্মী। ক্ষীরোদ মেধীও একজন বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব ।

মুস্তাফি

মুস্তাফিরা রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তরের হিসাব রক্ষা করতেন। প্রধান কেরানির পদ বলা যেতে পারে। রাজস্ব বিভাগের বিশেষ দায়িত্ব পালন করতেন ইনি । মূলত এরা মুখার্জি ব্রাহ্মণ। গোবরছড়ার শচীনন্দ, গৌরীনন্দন উল্লেখযোগ্য নাম।

মজুমদার

রাজস্ব সম্বন্ধীয় হিসাব ও দলিলপত্রাদি রক্ষক। মহারাজ মোদনারায়ণের আমলে রূপচন্দ্র মজুমদার নামে এক ব্রাহ্মণ কর্মদক্ষতায় মুস্তাফির পদে উন্নীত হয়েছিলেন।

দেউড়ী

পূজারীদের পূজার কাজে যারা যোগান দিতেন, তাদের দেউড়ী বলা হত। দেউড়ি রা সাধারণত রাজবংশী সম্প্রদায়ের লোক হত। এরাও জায়গীর পেতেন।

ভুইমালি বা বানিয়া

পুজোর সময়ে এরা বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে দেবতাদের পুষ্টিবিধান করতেন। আরতির নৃত্য ও গীতে তাল বৈচিত্র ও সুরের মূর্ছনা সৃষ্টি করতেন এই ভুইমালিরা। এরাও জায়গীর পেতেন।

খাশনীশ

মহারাজা মহীনারায়নের রাজত্বকালে খাশনীস্, মজুমদার পদবীগুলি পাওয়া যায়।খাশনীশরা ছিলেন প্রশাসনের অন্যতম কর্তা। তবে তিনি জমির অাধিকারীক ছিলেন। প্রজাদের কাছ থেকে তিনি খাজনাও তুলতেন এবং কমিশন কেটে তা রাজকোষে জমা দিতেন।

হিসাবিয়া

বিভিন্ন দপ্তরে রাজকোষের হিসাব রাখতেন যিনি তাকে হিসাবিয়া বলে। বর্তমান পর্যায়ের হিসাবরক্ষক বলা যেতে পারে। প্রভাত হিসাবিয়া, রোহিণী হিসাবিয়া নামগুলি উল্লেখযোগ্য।

ডাকুয়া

মূল কথাটি ছিল ‘ডাকুয়ার’। অপভ্রংশ তা হয়েছে ডাকুয়া। পোস্ট অফিসে চিঠিপত্র পার্সেল প্রভৃতি বহন করতেন যারা তারা ডাকুয়ার। ইংরেজিতে রানার বলা হত। এই বংশের বিখ্যাত মানুষ মহেন্দ্র ডাকুয়া, দীনেশ ডাকুয়া যোগ্যতা বলে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী হয়েছিলেন।

বারিয়া

দেবোত্তর ট্রাস্ট বোর্ডের মন্দিরের ঘরের বাসন মাজার ও ঘর পরিষ্কার করার কাজে নিযুক্ত কর্মীদের বারিয়া বলে। মদনমোহন মন্দিরে আজও এই ধরনের কর্মী আছে।

হালুয়া

মন্দিরে পূজার ফুল, মালা দেয় যারা, তারা হালুয়া বলে কথিত হতো। এরা মূর্তিগুলিতে মালা ,ফুল দিয়ে সাজিয়ে দেয়।

বসুনিয়া

কর্মতৎপর এবং অনুগত জমিদার শ্রেণীর মানুষকে রাজা বসুনিয়া উপাধি দেন। ইনারা রাজার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের সহযোগী ছিলেন। ভাওয়াইয়া সংগীত এর পথিকৃৎ সুরেন্দ্রনাথ রায় বসুনিয়া এই বংশের বিখ্যাত লোক। প্রাক্তন বিচারক হেমন্ত বসুনিয়ার নাম উল্লেখ করা যেতে পারে।

পাটোয়ারী

এরা মূলত ব্যবসায়ী লোক। ব্যবসা-বাণিজ্যের বৃদ্ধি ও সেইসঙ্গে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির লক্ষ্যে এরা কাজ করতেন। এরাও জমির মালিক হতেন। খগেন পাটোয়ারী, মুরারি পাটোয়ারী ধনবর নামগুলি বিখ্যাত।

কার্যী

রাজবংশী ঘরের মেয়ে যখন রাজার ঘরে বউ হিসেবে যেতেন তখন মেয়ের বাবা কার্যী রূপে পরিচিত হতেন।

ঈশোর

রাজগণের মেয়েকে যখন রাজবংশী সমাজের ছেলে বিয়ে করেন, তখন ছেলেপক্ষ হন ঈশোর।

নায়েব

জমিদারি দেখাশোনা, খাজনা আদায় ও হিসাব রক্ষা করতেন তিনি।

শিকদার

শান্তি রক্ষার কাজে সহায়তা করতেন। নবাবী শাসনের মত করে কোচবিহার রাজ্যও এই উপাধি দেওয়া হতো তাদেরকে, যারা শান্তি রক্ষার কাজে বিশেষ পারদর্শিতা দেখাতে পারতেন।

জমদারিয়া

অপভ্রংশে জামদারি, পুলিশের জমাদার অর্থাৎ হাবিলদারকে আগে জামদাঁড়িয়া বলা হত। পরে এটি জামদারি হয়েছে।

চৌধুরী

কর সংগ্রাহক। এরা নাজির ও দেওয়ানদের অনুসরণ করে কর গ্রহণের মাধ্যমে জমিদার হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পারেননি। তাই এরা চৌধুরী উপাধি নিয়ে শুধু কর সংগ্রহ করতেন।

পাখাধরা

রাজবাড়ীতে রাজাকে বা পদস্থ রাজকর্মচারীকে পাখা দিয়ে যারা হাওয়া দিত তাদেরকে বলা হতো পাখাধরা। স্বাধীনতার পরেও পাখা-পুলার বলে এক শ্রেণীর কর্মচারী ছিল কোচবিহারে। এরাই পাখাধরা পদবীতে ভূষিত।

বোকনাধরা

রাজা বা রাজপুরুষদের সঙ্গে ছোটখাটো বোকনা অর্থাৎ মালের বোঝা থাকতো। এই বোকনা বা বোঝা বহন করার লোক থাকতো। এই লোকগুলোকে বোকনাধরা বলা হত। গোপালপুরে এই পদবীধারী ব্যক্তিদের এখনও দেখা যায়।

দলাই

এরা রাজগণের সেবা বা কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল। সুরের দলাই পরিচিত ব্যক্তিত্ব।

গাবুয়া

গাব্ করে (রং করে) যে, সে গাবুয়া। রাজবাড়ীতে বা শহরের এরা রং লাগানোর কাজ করতো। তাই এদের নাম হয়েছে গাবুয়া। তুফানগঞ্জ এর শালবাড়ি অঞ্চলে গাবুয়ারা এখনো আছে।

ঝারিধরা

ঝারি অর্থাৎ জলের পাত্র যারা রাজাদের বা রাজপুরুষদের অচমনাদির জন্য এগিয়ে দিত, তারাই ঝারিধরা।

খাড়াধরা

বলির সময় যারা খাড়া ধরত তাদেরকে খাড়াধরা বলা হয়।

মান্তা

মোহন্ত, মন্ত, মান্তা এই তিনটি পদ্ধতিতে মান্তা শব্দটি এসেছে। এটি একটি পদবী। মঠ বা দেবালয়ে অধ্যক্ষকে বলা হত মোহন্ত। অর্থাৎ ধর্মীয় কাজের সঙ্গে যুক্ত এই পদবীর মানুষেরা। এই বিষয়ে সহমত পোষণ করেন ডক্টর রবীন্দ্রনাথ অধিকারী।

আরো একটি মত প্রচলিত আছে , রাজবাড়ির চত্বরে বড় ভোজের আসরে কুকুর তাড়ানোর লোক রাখা হত, এই লোকগুলিকে মান্তা বলা হত।

প্রামানিক

পরিকল্পনাসহ যারা রাজাদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করতেন তিনি প্রামানিক বলে কতিথ। এই প্রামানিকরা রাজবংশী সম্প্রদায়ভুক্ত। প্রাক্তন বিধায়ক সারদাপ্রসাদ প্রমানিক, প্রাক্তন বিধায়ক সুধীর প্রামাণিক ,বীরেন প্রামাণিক, সুরেশ প্রমানিক এই পরিবারের সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব।

লায়েক

রাজকার্যের যেকোনো কাজের দায়িত্বে থাকা প্রধান, যার অধীনে কিছু আইন রক্ষক থাকতো।

সিংহ

সেনাবাহিনীর ফৌজিলোক। দিনাজপুর, ধুপগুড়ি, কুচবিহার, আসামের তেজপুরের বিভিন্ন প্রভৃতি অঞ্চলে এই সিংহ পদবীধারীরা আছেন। তেজপুরের প্রাক্তন সাংসদ পূর্ণ নারায়ণ সিংহ এই সিংহ পরিবারের বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব।

টেকরশালিয়া

প্রাত্যহিক কাজকর্ম করার সময় রাজার মাথায় যারা ছাতা ধরত, তাদের টেকরশালিয়া বলা হত।

মন্ডল

মন্ড ধাতু থেকে নিষ্পন্ন অথবা বিভাজন করা। মনুসংহিতা ও কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রের মতে রাজা ও সামন্তগনকে মন্ডল বলা হত। গুপ্ত রাজাদের আমলে প্রদেশের শাসনকর্তাকে মন্ডল বলা হত। পালরাজাগনের রাজত্বকালে মন্ডল উপাধি ছিল। রংপুরে বর্ধনকোট রাজবংশের পূর্বপুরুষ আর্যবর মন্ডল, বিশ্বসিংয়ের পিতা হরিদাস মন্ডল এর সমসাময়িক ছিলেন। দিনহাটার প্রাক্তন বিধায়ক উমেশ চন্দ্র মন্ডল, তুফানগঞ্জের যোগেন মন্ডল প্রমুখ ব্যক্তিরা সুপরিচিত।

হালুয়া, টারাই, হাজরা এই পদবীধারী লোকেদের দ্বারা ব্যবসা-বাণিজ্য ও কৃষিকার্য করানো হতো।

বি. দ্র. :-2011 সালের কালবৈশাখীর পূজাসংখ্যায় পর্বানন্দ দাসের প্রকাশিত প্রবন্ধ , চৌধুরী আমানাতুল্লাহ খানের কোচবিহারের ইতিহাস ও অনুসন্ধান স্বাপেক্ষে তথ্যগুলো সংগৃহীত হয়েছে। কোন কোন তথ্যের অপূর্ণতা থাকতেই পারে।


Kumar Mridul Narayan, Basunia, Gabua, Pakhadhora, Jharidhora, Boknadhora, Jamdari, Manta, Coochbehari title and surname, Patowari, Karjee, Ishore, Deuri, Mustafi, Dakua,

Share this:

1 thought on “রাজন্য শাসিত কুচবিহারের পদ ও পদবী।”

Leave a comment

Enable notifications on latest Posts & updates? Yes >Go to Home Page or Non Amp version Page and \"Allow\"