কোচ রাজবংশী মানুষের আলাদা রাজ্যের দাবী। – কি বলছেন গবেষক?

গবেষক পরেশ বোরার (Paresh Borah, Research Scholar, Department of Political Science, North Eastern Hill University, Shillong) পেপারের (Article) Conclusion অংশ থেকে পয়েন্ট করে নিচের লেখাটি তুলে ধরার চেষ্টা করা হল, আপামর পাঠকের সুবিধার জন্য বাংলাতে বিশ্লষন করার চেষ্টা হল। পেপারটি ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজি তে নভেম্বর ২০১৯ সালে প্রকাশিত হয়েছে।

লেখকের আর্টিকেলটি হল – Demand for Separate Statehood and The Koch Rajbanshi’s Quest for Revival of Their Past in The Indian State of Assam (See Details)

Point-1

Kamatapur movement is outcome of of socio-political and economic marginalization of Koch Rajbanshis in many ways which Mr. Paresh Borah noted.

কামতাপুর আন্দোলন যে কোচ রাজবংশী মানুষের দীর্ঘ সামাজিক-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বন্চনার প্রতিফলন তা সবাইকে এক বাক্যে শিকার করতে হবে। সমস্যাটা হল যে সময় আন্দোলন মোটামুটি শুরু হয়েছিল সে সময় বেশীরভাগ কোচ রাজবংশী কামতাপুরী মানুষ তাদের নিজেদের ইতিহাস কি, তাদের মাটির কি ইতিহাস? তাদের মাটির নাম যে একসময় কামতাপুর ছিল এটাই জানত না। ফলস্বরুপ ধনী, গরিব, গ্রাম ও শহরের সার্বিক জনগন এই আন্দোলনে সামিল ছিলনা। তার উপর কলকাতা পরিচালিত পশ্চিমবঙ্গ সরকারে যে রাজনৈতিক দল ছিল তারাও ভবিষ্যতে তাদের রাজনৈতিক সংকটের কথা চিন্তা করে এই আন্দোলনকে দমন করার জন্য যেনতেন প্রকারে উঠে পড়ে লেগেছিল, সহযোগী বাংলা সংবাদপত্র গুলিও অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছিল যা এখোনো করে। যে সকল আত্মপরিচয় না জানা কোচ রাজবংশী নেতৃত্ব তদানীন্তন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সাথে যুক্ত ছিল সরকার তাদেরকেই ব্যবহার করে এবং প্রশাসন কে ব্যবহার করে নিরীহ মানুষদের উপর অত্যাচার চালিয়েছিল, মিথ্যা কেসে ফাঁসিয়ে জেলে ঢুকিয়েছিল, মিথ্যা এনকাউন্টার করে অনেক যুবকের প্রাণ হানি করেছিল, অনেক সংসার পঙ্গু করে দিয়েছিল, অনেক কোচ রাজবংশী মহিলার সিঁথির সিদুর মুছে দিয়েছিল। এখোনো অর্থাৎ ২০২১ সালের গোরদোরায় দাড়িয়ে নিসংকোচে বলা যেতে পারে অধিকাংশ কোচ রাজবংশী মানুষ তাদের ইতিহাস জানেনা। জানার ইচ্ছা বা জিজ্ঞাসা আছে কিনা সেটাও বড় প্রশ্নের মুখে। জনসন্মুখে নিজেদের ভাষা বলতে লজ্জা পায় বা সংকোচ করে যার কোনো কারণ নেই। অর্থনৈতিক ভাবেও পঙ্গু করেছে কলকাতা পরিচালিত সরকার। অন্যায় ভাবে ভুমি সংস্কার করে পূর্বপুরুষ থেকে চলে আসা পরম্পরা অর্থাৎ কৃষিকাজ করে আয় করার জায়গা সংকুচিত করে দিয়েছে। যাদের জন্য এই ভুমি সংস্কার করেছে তারাও সেই জমি বিক্রি করে বাইরের রাজ্যে কাজের খোঁজে যেতে বাধ্য হয়েছে। অথচ পারিবারিক ভাবে স্বাভাবিক নিয়মেই ভুমি সংস্কার হয়ে যায় সন্তান সন্ততির মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা করে। সরকার কৃষকের পাশে না দাড়িয়ে মধ্যস্বত্বভোগীদের সবসময় পাশে দাড়িয়েছে। এখানেও অলিখিত এবং প্রচ্ছন্ন জাতি স্বত্তার প্রতি টান লক্ষ্য করা যায়, কারন বাংলা ও বাঙালী পরিচালিত সরকারের মধ্যস্বত্বভোগীরা বেশীরভাগই বাঙালী যারা দেশভাগের সময় ওপার বাংলা থেকে এসেছে আর কৃষকদের বেশীরভাগই কোচ রাজবংশী। ব্যবসার ক্ষেত্রেও তাই, পুরানা যত দেশী ব্যবসায়ী ছিল তাদেরকে প্রশাসনিক কায়দা কানুন বা জাতিগত বিদ্বেষে পথে নামিয়ে দিয়েছিল সূচারু ভাবে।

Point-2

Koch Rajbanshis who once ruled Northeast India at large suffered political marginalization and economic crisis due to attack of Bhutias and ultimately came under British rule to safe them.

এই ব্যাপারটাতে মহারাজা হরেন্দ্রনারায়ণ পরবর্তী কোচ রাজাদের অদূরদর্শীতা স্পষ্ট। ব্রিটিশ এর কাছে শরণাপন্ন হতেই হত 1773  সালের 5 এপ্রিল হোক বা তারো পরে। কিন্তু মহারাজা হরেন্দ্রনারায়ণ স্বাধীনভাবে চলার চেষ্টা করেছিল, ব্রিটিশের নিয়ম কানুনের অত ধার ধারত না। কিন্তু সংস্কৃতি ও ভাষার ব্যাপারে যে পরিচালনা ছিল সেটা ধীরে ধীরে বাংলা হয়ে গিয়েছিল কেননা মহারাজা হরেন্দ্রনারায়ণ ও পরবর্তী সব মহারাজাই রাজকার্য পরিচালনার জন্য বাঙালী বুদ্ধিজীবী নিয়ে এসেছিল দক্ষিণ বঙ্গ দেশ থেকে। এই জায়গাতে যদি রাজভাষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে স্বকীয়তা বজায় রেখে চলত তাহলে প্রজাবর্গের মধ্যে সেটা আরো প্রকট হত, ভাষা কৃষ্টি সংস্কৃতি একমুখী হত। এক্ষেত্রে পরবর্তীতে শিক্ষা ও সংস্কৃতি প্রসারের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের অসুবিধা হত না। 1947 সালে দেশ স্বাধীনের সময় ভাষার ভিত্তিতে আলাদা রাজ্য স্বাভাবিক ভাবেই হত। সাধারণ মানুষ কারিগরি শিক্ষায় আরো উন্নত হত। 

Point-3

Merger of state Coochbehar with West Bengal was nothing but victim of social-cultural and economic marginalization, a process of losing their identity.

কোচ রাজবংশী সমাজের আইডেন্টিটি ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হওয়ার এটাই প্রধান কারন বলা যেতে পারে। কোচবিহারকে জেলায় পরিনত করে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত করা হল এবং এডুকেশন সিস্টেম কলকাতা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত করে কোচ রাজবংশী কামতাপুরী মানুষকে বাঙালীকরন করার চেষ্টা শুরু হল। অশিক্ষিত,অর্ধশিক্ষিত কোচ রাজবংশী কামতাপুরী মানুষ কিছুই বুঝতে পারল না। বাঙালী তো হতেই পারল না (যেটা সম্ভব নয়, কেউ যদি হয়েও থাকে সে তৃতীয় শ্রেণীর বাঙালী, নিজের পূর্বপুরুষের ভাষা কৃষ্টি সংস্কৃতি লুকিয়ে অবজ্ঞা করে) বরং বাঙালী ও কামতাপুরীর মাঝামাঝি এক রাহুগ্রস্ত আইডেন্টিটি। রাজার আমলে বাবা ও ঠাকুর্দারা কোচবিহারের ইতিহাস পড়ত টেক্সট বই এ। কোচবিহার কে জেলায় পরিনত করার পর কলকাতা পরিচালিত পশ্চিমবঙ্গ সরকার সব গায়েব করে দিল। 

Point-4

Culture and language suffered due to caste movement in the early part of 20th centuries, the aim was to assimilate themselves with upper caste Bengali hindu. Immigration of upper caste hindu Bengali also created tension among koch rajbanshis.

কোচ রাজবংশী কামতাপুরি মানুষেরা নিজেদের ভাষা কৃষ্টি সংস্কৃতি বিসর্জন দিয়ে আপার কাস্ট হিন্দু বাঙ্গালির ভাষা কৃষ্টি সংস্কৃতি নকল বা অনুকরন করা শুরু করেছিল। যখনই কোন কোচ রাজবংশী মোটামুটি কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছে সে বাঙালি ভাষা কৃষ্টি সংস্কৃতির দলে নিজেকে মিশে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। যদিও প্রকৃত পক্ষে তেল ও জল কোনদিন ও মিশল হয়না। অনেকে আবার ওপাশে মিশে গিয়ে নিজের পূর্ব পুরুষের ভাষা কৃষ্টি সংস্কৃতিকেই ঘৃণা ও অবজ্ঞা করা শুরু করেছিল জন সমক্ষে তথা দোসর বাংলাভাষীদের সঙ্গে মিশে গিয়ে। এদের অনেকে আবার কোচ পরিচয় অস্বীকার করে। শুধু রাজবংশী পরিচয় একধরনের আত্ম পরিচয় লুকিয়ে নতুন মলাটে নিজেকে মেলে ধরার প্রয়াস। রাজবংশী কোন বিশেষ এক গোষ্ঠীর (mono ethnic) পরিচয় নয়। কামতাভুমির আদি জাতির পরিচয় মানে কোচ বা কোচ রাজবংশী, মেচ, থারু। অন্যান্য গোষ্ঠী থেকে যারা রাজবংশী হয়েছে তারা হল কৈবর্ত রাজবংশী, জেলে রাজবংশী, তিওর রাজবংশী, পুণ্ড্র রাজবংশী (Census of India Vol-5 Part-1 1911 O,Malley LSS, Page -399,446, Download free Books)। এই রাজবংশীরা নিজেদের কামতাপুরি বলতে কিছুটা হলেও সংকোচ বোধ করে, বাংলা ভাষা কৃষ্টি সংস্কৃতি বিশিষ্ট বাঙ্গালি বললে অনেকে গর্ব করে আর অনেকে সেটাও অস্বীকার করে শুধু রাজবংশী তেই খুশি হয়।

Point-5

Koch Rajbanshis were victim of social-cultural discrimination by dominant class in Assam and North Bengal. Social identity of koch rajbanshis suffered due to colonial caste policies.

ভাষা কৃষ্টি ও সংস্কৃতির উপর সাম্রাজ্যবাদ অনন্তকাল ধরে চলে আসছে , রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা কোচ রাজবংশী কামতাপুরি মানুষের হাতে না থাকলে এই মাটির ভাষা কৃষ্টি ও সংস্কৃতি অচিরেই বিলুপ্ত হবে।

Point-6

Now a days Kamatapur movement is trying to create an identity on the basis of language and culture. This movement will justify the claim of geographically demarcated land so that they can enjoy the resources for their own development.

কামতাপুর আন্দোলন না হলে এতদিনে আরও সর্বনাশ হয়ে যেত ভাষা সংস্কৃতির। এই ভুমি রক্ষার দায়িত্ব এখানকার আদি মানুষের হাতেই দেওয়া হোক। কলকাতা থেকে যেন পরিচালিত না হয়।

Point-7

Koch Rajbanshis are also trying to enhance people’s conscuiousness towards history, culture and tradition to ensure their social cultural development.  Kamatapur movement will continue until the basic problems of Koch Rajbanshis are addressed.

অর্থনৈতিক সমস্যা যদি দূরও হয় সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অধিকার যদি এখানকার কোচ রাজবংশী মানুষের হাতে না থাকে, প্রশাসন যদি এখানকার নেতার কথায় না চলে, জমির ব্যবহার যদি এখানকার মানুষ নির্ধারণ করতে না পারে তবে বাইরে থেকে উদ্বাস্তু অনবরত আসতে থাকবে, কলকাতা প্রশাসনের নির্দেশে তাদের সমস্ত সুযোগ সুবিধা দেওয়া হবে শুধুমাত্র এখানকার আদি মানুষের রুটি রুজির উপর আঘাত হেনে নিজেদের ভোট ব্যাংক মজবুত করার জন্য।

Courtesy: Author Paresh Borah and https://kamatapur.com,

The leaders who are leading the Kamatapur movement instead of mobilizing identity on the basis of culture and language require to search solution for development and good governance.

In this study athor Paresh Borah also suggested that several steps need to be taken to address the problems of Koch Rajbanshis.

লেখক পরেশ বোরা কিছু সাজেশন দিয়েছেন যাতে কোচ রাজবংশী দের সমস্যার সমাধান হয়। নিচে পয়েন্ট করে দেওয়া হল বাংলাতে লিখে কিছু বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করা হল।

এটা ঠিক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ভিত শক্ত না করে রাজনৈতিক ভাবে প্রতিযোগিতা করা মুশকিল। যে সকল মানুষ দেশভাগের সময় ওপার বাংলা থেকে কামতাভুমিতে এসেছে তাদেরকেও এই আন্দোলনে সামিল হওয়া উচিত। আপনারা শত চেষ্টা করেও বা কলকাতা পরিচালিত রাজনিতিতে ভুমিকা পালন করে এই অংশকে বাংলার মত করে বানাতে পারেন নি। আপনাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মও পারবেনা এটাই ধরে রাখুন। কারন মানুষের অভিব্যক্তি, পোশাক আশাক, খাদ্যাভাস সব কিছুই মাটির জলবায়ু পরিবেশ থেকে নির্ধারিত হয়। এটা প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়ম।  বাংলার মত করে বানাতে হলে ইতিহাস গোপন করে রেখেও স্বাধীনতার এত বছর পরে নতুন করে কামতাপুর আন্দোলন হত না।

Point A

Its an urgent requirement to conduct survey of the social, economic and political conditions of the koch rajbanshis of Northeast India. This type of survey obviously help to understand socio-economic and political problems of koch rajbanshis.

Without understand of socio-economic and political conditions , any kind of policy for welfare of koch rajbanshis will fail.

সার্ভে অবশ্যই দরকার, রাজবংশী আর কোচ আলাদা আলাদা না করে ভারতের সব রাজ্যে এক পরিচিতি কোচ রাজবংশী করলে আরও ভাল হয়। মেঘালয় এ কোচ এসটি (ST) হিসেবে আছে সেটাই থাকুক। যদিও ওদের ভাষাটা কামতাপুরি ভাষা থেকে আলাদা।

Point B

Immediate steps should be taken to protect and preserve peculiarities and particularities of this community. The feeling of alienation and relative deprivation can be addressed only by protecting their very distinctiveness and by improving socio-cultural and economic conditions.

বাংলা ও আসামের ভাষা ও সংস্কৃতি থেকে পৃথক ভাষা ও সংস্কৃতি থাকা সত্ত্বেও সোশাল অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অধিকার কোচ রাজবংশী দের নেই। নিজেদের ভুমির অধিকার ও নেই। ১৯৪৭ থেকে যেসব কোচ রাজবংশী নেতা কোলকাতা বা গুয়াহাটি পরিচালিত সরকারের সাথে ছিল তারা নিতান্তই ভোট তোলার খুটি হিসেবে ছিল বা সেভাবেই ব্যবহার করা হয়েছে তাদের। তারা নিজেদের বাঙালী বা অহমীয়া পরিচয় দিয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছে রাজনৈতিক আঙ্গিনায়। কলকাতা ও আসাম সরকার যেভাবে পাচ্ছে এদেরকে দমন পীড়ন চালাচ্ছে, এদের প্রকট ভাষা কৃষ্টি ও সংস্কৃতি কে বিলুপ্ত করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। 

Point C

Kamtapuri / Rajbanshi Language controversy issue to put an end on immediate basis. The mother tongue should be given constitutional recognition.

একই ভাষার দুই নাম দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকার আরও বিভাজন করার চক্রান্ত করছে। এই অপপ্রয়াস কে অচিরে দমন করতে হবে। যেখানে আন্দোলন হয়েছিল কামতাপুরি ভাষা নামে, কিন্তু সরকার চক্রান্ত করে রাজবংশী নামে ভাষা আকাদেমি দিয়ে তারপরে আবার কামতাপুরি নামে ভাষা আকাদেমি দিয়েছে। বাংলা সরকার এর চক্রান্ত ছাড়া কিছুই নয়। একই রকম ভাবে আসাম ও বাংলা সরকারের সব ব্যাপারে অমিল থাকলেও ভাষার নাম রাজবংশীর ব্যাপারে অদ্ভূত মিল রয়েছে, এই চক্রে ব্যক্তিস্বার্থ রক্ষাকারী কিছু কোচরাজবংশী শিক্ষিত ব্যক্তি সামিল যে নেই তা অস্বীকার করা যায় না। 

Point D

Economic development of the region of lower Assam and North Bengal should be accelerated. Urgent economic security is required for Rajbanshis who are below poverty line. Quality education, employment creation may also solve this problem for long way

কোচ রাজবংশীদের নিজেদের অর্থনৈতিক উন্নতি নিজেদেরই করতে হবে। বাংলা বা আসাম সরকারের উপর ভরসা করা ঠিক নয়। কোন সরকারই চামুচে করে মুখে খাবার তুলে দেবেনা, আর যদি তুলে দেওয়ার চেষ্টাও করে তাহলে ভোট ব্যাংক হিসেবে কাজে লাগিয়ে তারপর কিছু করার চেষ্টা করবে। নিজেদের মধ্যে সংঘবদ্ধ হয়ে ছোট খাটো ফার্ম বা শিল্প গড়ে তুলতে হবে, মার্কেটিং অর্গানাইজেশন গড়ে তুলতে হবে। 

Point E

Including all above those points, Rajbanshis should get their socio-economic and political dues to be governed by them as a true democracy in India. Mr. Boarh also concluded that Indian state has not been able to address multi-cultural, multi-ethnic, and multi-lingual problems of indigenous people living in India. In Assam also state government failed to resolve the ongoing ethnic conflicts by various ethnic communities in Assam including koch rajbanshis. The identity movement of various ethnic groups has created issues of terrorism, economic stagnancy, human right violation, cultural threats and political instability also.

সর্বোপরি আসাম ও বাংলা সরকার কিছুই করবে না কোচ রাজবংশী কামতাপুরিদের জন্য। করলে বড়জোর অর্থনৈতিক দু একটা প্রোজেক্ট দেবে, সেমিনার হবে ভাষা নিয়ে কিন্তু কখনই ভাষার অষ্টম তপশিলীকরণ নিয়ে এগোবে না। ভুমির অধিকার বন্টন বা অটোনমাস কাউন্সিল রাজ্য সরকার এর হাতেই নেই।

কোচ রাজবংশী কামতাপুরি মানুষ কে নিজের ভাষা কৃষ্টি  ইতিহাস জানতে হবে, এই ব্যাপারে অধ্যয়ন করতে হবে, মাতৃ ভাষাতে কথা বলতে হবে সর্বত্র – বাড়িতে, বাজারে, শহরে, বন্ধু বান্ধব আত্মীয় স্বজন সবার সাথে। কোন রকম সংকোচ করলে চলবে না যে যতই শিক্ষিত হোক বা প্রতিষ্ঠিত হোক।

©️VSarkar

Share this:

6 thoughts on “কোচ রাজবংশী মানুষের আলাদা রাজ্যের দাবী। – কি বলছেন গবেষক?”

  1. সবাই যদি তার নিজের পরিবারের লোকজন ও আত্মীয় স্বজন ও পাড়া পড়শি কে বোঝাতে পারে সমস্যার কথা তাহলেই সমস্যার সমাধান হতে বেশি দিন সময় লাগবে না

    Reply
    • একদম , উত্তর দিনাজপুর এই প্রক্রিয়া চলছে । নিজের জাতি কে এই ইতিহাস বোঝানোর চেষ্টা চলছে ।

      Reply
  2. সব চাইতে বড়ো ব্যাপার হল, আমি আগে এত টা ভাবিনি, যখন এই সাইট থেকে কিছু বই পড়ি এবং বর্তমান কোচবিহারের পরিস্থিতি দেখে বুঝতে পারি , সব চাইতে এখন বড় শত্রু আমাদের নিজের জাতির নেতা মন্ত্রী। কারণ এরা একটা জায়গায় গিয়েও জোর গলায় আওয়াজ তুলতে পারছে না। কিন্তু বাইরে এসে সাধারণ মানুষ কে বলে সব চেষ্টা চলছে । কিন্তু আদতে দেখা যাচ্ছে কিছুই করতে পারছেন না। নিজেদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটাতে ব্যস্ত । নিজেদের জাতির মানুষের সাথে প্রতারণা করছে । কলকাতা এবং দিল্লির নেতাদের লোভের স্বীকার হচ্ছে ।যদিও শুধুমাত্র নিজের টা হচ্ছে জাতির জন্য কিছুই হচ্ছে না । হয়তো সাময়িক করার চেষ্টা করছে কিন্তু লোভে পরে তা আর সেই নিয়ে কোনো উচ্চবাচ্য করছেন না। যাইহোক হয়তো এমন কেউ একদিন ঠিক তৈরি হবে , যে শুধুমাত্র জাতির সার্বিক উন্নয়ন নিয়েই নিজেকে উৎসর্গ করবে । সমাজ জাগছে সেইদিন হয়তো বেশি দিন নেই । মানুষ একটু হলেও বুঝতে পারছে ।।

    Reply
    • একদম। ঠিক বলেছ। আমাদের নেতারা যারা বিভিন্ন জাতীয় রাজনৈতিক দল বা কলকাতা পরিচালিত রাজনৈতিক দলে আছে তারা অনেকাংশে দায়ী। সাধারণ মানুষ যারা ভোট দিয়ে আসছে তারাও পরোক্ষ ভাবে দায়ী, কিন্ত তাদের কাছু করার নাই কারন তারা নিজেদের ইতিহাস জানেনা, ভাষা আছে কিন্তু তার অষ্টম তফসিল নেই। এটা করার দায়িত্ব নেতাদের ছিল ওরা করেনি, কারন ওরাও নিজেদের ইতিহাস, এই মাটির ইতিহাস সম্পর্কে জানত না।

      সবাইকে সচেতন করতে হবে, আমরা কিভাবে বন্চিত সামাজিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভাবে সবকিছু বোঝাতে হবে। দরকারে বই এর পাতা খুলে দেখিয়ে বোঝাতে হবে যদি মুখের কথাতেরনা বিশ্বাস করে।

      Reply

Leave a comment

Enable notifications on latest Posts & updates? Yes >Go to Home Page or Non Amp version Page and \"Allow\"