মহারাজা নরেন্দ্রনারায়ণের রাজত্বকাল ও কামতা সাহিত্যের অংশবিশেষ। 

মহারাজা নরেন্দ্রনারায়ণের রাজত্বকাল ও কামতা সাহিত্যের অংশবিশেষত চন্ডীদাস দত্ত আর দ্বীজ ধর্মেশ্বর উল্লেখযোগ্য।   মহারাজা নরেন্দ্রনারায়ণের রাজত্বকালত (1855 খ্রিস্টাব্দে) রাজমাতা পিষু আইয়ের নির্দেশে কামরূপ দেশবাসী দ্বীজ ধর্মেশ্বর (1602 খ্রিস্টাব্দে) পীতাম্বরের ল্যাখা মার্কণ্ডেয় পুরাণ-এর অনুলিপি প্রস্তুত করেন। মহারাণী বৃন্দেশ্বরী ছিলেন এই “পিষু আঈ’ বা ছােট মহারাণী। কোচবিহার উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় গ্রন্থাগারত এই গ্রন্থের দুইটা সম্পূর্ণ পুথি সংরক্ষন করা আছে

কবিতার নাম “হায়রে ফুটপাথ” – কবি রোহিত বর্মন।

হায়রে ফুটপাথ 📝লেখাইয়া: রোহিত বর্মন ওই দিন দেখ ছিলুং তোক আস্তাত থাকি ছিলু্ তুই, আন্ধার আতিত পাশোত না ছিল কাও কি করিম মুই? চোখের আগালোত নাই ছিলু্ খালি  তুই আরো ভাইল্লা, নিরুপায় ছিলু মুই টিকাত ছিল খালি গামছা সাইলা । ভাইল্লা আতিত নিন্দাস, ভয় ডর  না খায়া যখন, তোমার বগল দিয়া যায় কতো গাড়ি দেখেই

কোচবিহারের মহারাজা হরেন্দ্রনারায়ণের পন্ডিতসভা ও সাহিত্যকীর্তি।

মহারাজা হরেন্দ্রনারায়ণের রাজত্বকালকে কামতা সাহিত্যের সুবর্ণযুগ বলা যায়। কোচবিহার রাজ্য বাংলা থেকে তখন পৃথক ছিল। ষোড়শ শতাব্দী থেকে কামতা সাহিত্য চর্চা হত এই রাজদরবারে। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগ থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগ মহারাজা হরেন্দ্রনারায়ণের রাজসভা মূলত একটি পন্ডিত সভায় পরিনত হয়েছিল। অনুমান করা হয় এত বড় মাপের পন্ডিত সভা সম্ভবত ইতিহাসে আর কোনো রাজসভায় দেখা যায়নি।

Enable notifications on latest Posts & updates? Yes >Go to Home Page or Non Amp version Page and \"Allow\"