পঞ্চানন বর্ম্মা সহযােগী হেদেল্লা বর্ম্মা এবং মাথাভাঙ্গা পরগনার নায়েব আহিলকার আশুতোষ ঘােষ

পঞ্চানন বর্ম্মা সহযােগী হেদেল্লা বর্ম্মা এবং মাথাভাঙ্গা পরগনার নায়েব আহিলকার আশুতোষ ঘােষ তৎকালীন কুচবিহার রাজ্যের মাথাভাঙ্গা পরগনার প্রশাসনিক আইনি পর্যায়ের একটি অলিখিত অধ্যায়। অলিখিত বললাম এই কারণেই যে শুধুমাত্র এই বিষয়টি নিয়ে এ পর্যন্ত কোথাও লেখা হয়নি। এমনকি চিন্তন সমাজেও কোথাও আলােচনা-পর্যালােচনা হয়নি। যতটুকু তথ্য ও তত্ত্ব পাওয়া যাচ্ছে তা মাথাভাঙ্গার বা এই পরগনার অন্য

ক্ষত্রিয় সমিতি – লেখাইয়া অসীম রায়।

⚔️ক্ষত্রিয় সমিতি 🛡️ 1950 এর পর থাকি ক্ষত্রিয় সমিতি জাতির বাদে বিরাট সংখ্যক মানষি নিয়া  গণ আন্দোলন করিছে শুনং নাই, দেখংও নাই, কিন্তু নষ্ট করি দিবার চেষ্টা করিছে  দেখচঙ।  1) ব্রিটিশ শাসিত ভারত সরকার কোচ জাতি হিসাবে হামার পূর্ব পুরুষগুলাক হিসাবে গণনা করিলে উমরা প্রতিবাদ করিছে হামরা কোচ না হই ক্ষত্রিয়  ফলে জাতি দুই ভাগ হইছে

রায়সাহেব ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার কর্মজীবন সম্পর্কে সংক্ষেপে কিছু তথ্য

জন্ম সন: 1272, 1লা ফাল্গুন, সোমবার, শিবরাত্রির দিন, সকাল 7:30 মিঃ জন্ম স্থান: খলিসামারী, মাথাভাঙ্গা, রাজ্য কুচবিহার । ইংরাজী সন: 13 ফেব্রুয়ারি 1866 পিতা: শ্রী খোসাল সরকার, মাতা: চম্পলাদেবী স্বর্গীয় ক্ষেত্রনাথ সিংহ (বি এল, এম এল এ) মহাশয় তাঁর “রায়সাহেব পন্চানন বর্মার জীবনী” বইটিতে বর্ণিত (27/06/1939) ওঁনার কয়েকটি লাইন তুলে ধরলাম-“হায় ভাই ক্ষত্রিয়, এখন আমরা

Enable notifications on latest Posts & updates? Yes >Go to Home Page or Non Amp version Page and \"Allow\"