এ কেমন আন্দোলন যা একে সমাজের মানষির ভিতরা বিভেদ সৃষ্টি করে ?

তোমরা বাহে কোচ না কুচ না রাজবংশী না রাজবংশী ক্ষত্রিয় না কোচ/কুচ রাজবংশী এইটা বড় কথা নোমায়। বড় কথা হৈল্ তোমার ভাষা কি, তোমার কৃষ্টি কি, তোমার সংস্কৃতি কি, তোমরা কদ্দুর তা পালন করিচেন বা ধরি থাকি বিশ্বর কাছত তোমার পরিচয় দিবার পাইচেন? আর তার থাকিয়াও বড় কথা হৈল্ তোমার বিচরণ ক্ষেত্র কি মানে কোন

প্রবন্ধ: উত্তরবঙ্গের রাজবংশী সমাজে বাল্যবিবাহ – পরিতােষ কার্যী

উত্তরবঙ্গের রাজবংশী সমাজে বাল্যবিবাহ সামাজিক বহু কুপ্রথার মতাে বাল্যবিবাহ একটি অতি ঘৃণ্য কুপ্রথা। যার প্রভাব সমাজবদ্ধ মানব জীবনে এক গভীর ক্ষয়ের সৃজন ঘটায় উত্তরবঙ্গের রাজবংশী সমাজজীবনে কেমন ছিল এই প্রথার রূপ বা আদৌ ছিল কিনা? তারই তত্ত্ব-তালাশ করার প্রচেষ্টাতে এই প্রবন্ধের অবতারণা। রাজবংশী সমাজ ছিল মূলতঃ মাতৃতান্ত্রিক সমাজ। যেখানে মায়েদের অর্থাৎ নারীদের প্রাধান্যের কথা স্বীকার

রায়সাহেব ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার কর্মজীবন সম্পর্কে সংক্ষেপে কিছু তথ্য

জন্ম সন: 1272, 1লা ফাল্গুন, সোমবার, শিবরাত্রির দিন, সকাল 7:30 মিঃ জন্ম স্থান: খলিসামারী, মাথাভাঙ্গা, রাজ্য কুচবিহার । ইংরাজী সন: 13 ফেব্রুয়ারি 1866 পিতা: শ্রী খোসাল সরকার, মাতা: চম্পলাদেবী স্বর্গীয় ক্ষেত্রনাথ সিংহ (বি এল, এম এল এ) মহাশয় তাঁর “রায়সাহেব পন্চানন বর্মার জীবনী” বইটিতে বর্ণিত (27/06/1939) ওঁনার কয়েকটি লাইন তুলে ধরলাম-“হায় ভাই ক্ষত্রিয়, এখন আমরা

Enable notifications on latest Posts & updates? Yes >Go to Home Page or Non Amp version Page and \"Allow\"