দশভুজা চণ্ডীর প্রতি কান্তেশ্বরের স্তুতি /গোসানী মঙ্গল

কামতাপুরী সাহিত্য – গোসানী মঙ্গল [ তৃতীয় লহরী ] দুই প্রহর রাত্রি হইল অঙ্গনা ভাবিয়া। পূর্ব বিবরণ কহে পুত্র কোলে নিঞা॥ শুন বাপু কান্তনাথ চণ্ডী দিছে বর জামবাড়ী নগরে তুমি হইয়া নৃপবর। ১০৮ আপন অদৃষ্ট দুখ না হয় খণ্ডন। আর চণ্ডীর বর বাপু ফলে কদাচন ॥ মায়ে পুতে নিদ্রা গেল তৃতীয়া প্রহরে। চণ্ডী স্বপন করে

“নিজ দেশ ভাষা বন্দে রচিয়া পয়ার” – বিবেকানন্দ সরকার

“নিজ দেশ ভাষা বন্দে রচিয়া পয়ার” ভাষা নিয়া ভালেদিন থাকি ক্যাচাল হবার ধৈরচে। ঠিক ভাষা নিয়া কৈলে ঠিক হৈবেনা, কথাটা হৈল্ ভাষার নাম নিয়া ক্যাচাল। নানা মুনির নানান মত। হজসন (B.H. Hodgson) সাহেব কি কয়া গেইচেন, গ্রীয়ারসন সাহেব (George Abraham Grierson) কি কয়া গেইচেন এইনাকান আর কি। তারপরে ভাষাবিদ ডঃ সুনিতী কুমার চট্টোপাধ্যায় বা মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

কবিতার নাম “হায়রে ফুটপাথ” – কবি রোহিত বর্মন।

হায়রে ফুটপাথ 📝লেখাইয়া: রোহিত বর্মন ওই দিন দেখ ছিলুং তোক আস্তাত থাকি ছিলু্ তুই, আন্ধার আতিত পাশোত না ছিল কাও কি করিম মুই? চোখের আগালোত নাই ছিলু্ খালি  তুই আরো ভাইল্লা, নিরুপায় ছিলু মুই টিকাত ছিল খালি গামছা সাইলা । ভাইল্লা আতিত নিন্দাস, ভয় ডর  না খায়া যখন, তোমার বগল দিয়া যায় কতো গাড়ি দেখেই

Literary Work of King Harendra Narayana (Part-2)

Kali Chandra Lahiri: Jayanath Munshi began writing his history of “Cooch Behar” in “Rajopakhyan”, under the orders of Maharaja Harendranarayan’s Prime Minister Kali Chandra Lahiri. In 1821, the following year, Kali Chandra Lahiri was appointed Diwan of Cooch Behar after the departure of his father, Prime Minister Radhakrishna Lahiri. It is estimated that the composition

Literary work of Maharaja Harendra Narayan/Koch Bihar (Cooch Behar state).

The reign of Maharaja Harendranarayan was called the golden age of Kamta literature. The state of Koch Bihar was separate from Bengal at that time. From the sixteenth century Kamta literature was practiced in Koch Bihar palace. From the end of the eighteenth century to the first half of the nineteenth century, the Raj Sabha

কোচবিহারের মহারাজা হরেন্দ্রনারায়ণের পন্ডিতসভা ও সাহিত্যকীর্তি।

মহারাজা হরেন্দ্রনারায়ণের রাজত্বকালকে কামতা সাহিত্যের সুবর্ণযুগ বলা যায়। কোচবিহার রাজ্য বাংলা থেকে তখন পৃথক ছিল। ষোড়শ শতাব্দী থেকে কামতা সাহিত্য চর্চা হত এই রাজদরবারে। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগ থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগ মহারাজা হরেন্দ্রনারায়ণের রাজসভা মূলত একটি পন্ডিত সভায় পরিনত হয়েছিল। অনুমান করা হয় এত বড় মাপের পন্ডিত সভা সম্ভবত ইতিহাসে আর কোনো রাজসভায় দেখা যায়নি।

কামতা সাহিত্যের এক ঝলক

🔰খান চৌধুরী আমানতউল্লা আহমদ উঁমার ‘কোচবিহারের ইতিহাস’ গ্রন্থত কৈচেন, “যোগিনীতন্ত্রত আর ষোড়শ শতকের পীতাম্বর সিদ্ধান্তবাগীশ দ্বারা অনূবাদ করা মার্কন্ডেয় পুরাণের ভণিতাত ‘কামতা’ রাজ্যের নাম আছে।” তবে ‘মার্কন্ডেয় পুরাণ’ আর ‘ভাগবত দশম স্কন্ধ’ বিশ্বসিংহর বেটা নরনারায়ণের শাসনকালত বীর চিলারায়ের আদেশে পীতাম্বর দ্বারা রচিত হৈচিল। 🔹মার্কন্ডেয় পুরাণের একটা ভণিতাত পাওয়া যায়: মহারাজ বিশ্বসিংহ কামতা নগরে। তার পুত্র

Enable notifications on latest Posts & updates? Yes >Go to Home Page or Non Amp version Page and \"Allow\"