কুচবিহারের গর্ব ঐতিহাসিক ল্যান্সডাউন হল।

দীর্ঘ প্রায় পাঁচ শত বছরের কোচ  রাজত্বে স্থাপত্যকলার নিদর্শন রূপে কুচবিহার সমগ্র ভারতে অনন্যতার  দাবী রাখে। অতীত ইতিহাস পর্যালোচনা করে পুরাতত্ত্বের দৃষ্টিভঙ্গিতে যদি দেখি, কুচবিহার যে খুব সমৃদ্ধ এ বিষয়ে কারও কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু দুঃখের বিষয় যে, একদা এই সুবিশাল সাম্রাজ্যের স্থাপত্য ও পুরাকীর্তি ইত্যাদি সংরক্ষণের জন্য আজও সরকারি বা বেসরকারি কোনো সংগ্রহশালা গড়ে

মহারাজা নৃপেন্দ্র নারায়ণ ভুপ বাহাদুর ও তাঁর কর্মকান্ড।

আধুনিক কুচবিহারের স্রষ্টা মহারাজা নৃপেন্দ্র নারায়ণ ভুপ বাহাদুর পাঁচশত বছরের কোচ রাজত্বের ইতিহাসে দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন তার মহতী কাজের মাধ্যমে। শাসকের আচার-আচরণের  উপর নির্ভর করে রাজ্যের প্রজা মঙ্গলের উন্নতি। প্রজা- হিতৈষী বিদ্যোৎসাহী, সুগভীর কর্তব্যনিষ্ঠ, স্নেহ পরায়ণ এবং  পাশ্চাত্য শিক্ষা ও ভাবনায় কুচবিহার রাজ্যের সর্ববিধ উন্নতি তিনি করেছিলেন। তার আমলে কুচবিহার রাজ্যে উন্নয়নের জোয়ার আসে। তিনি

মহারাজা নৃপেন্দ্রনারায়ণের শিকার যাত্রা। (1881-1883)

1881 সাল – 1883  সাল 1881 সালে ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম দিকে শিকার যাত্রা শুরু করেছিলেন, সঙ্গী ছিলেন Mr. Ashton, Fraser, Thomas, Turner, A. Apcar, Kneller, Alexander, ও Major Jarrett. খাগরাবাড়িতে ক্যাম্প করা হয়েছিল, কয়েকদিন পর Mr. Wilson আর Mr. Dalton ও যোগ দিয়েছিল। এই যাত্রায় শিকারগুলোর মধ্যে ছিল- গন্ডার 1টা সম্ভর 4টা মহিষ 5টা 5টা

কোচবিহারের মহারাজা নৃপেন্দ্রনারায়ণের সাথত মহারানী সুনিতী দেবীর বিয়াও নিয়া মহাকেচাল।

কুচবিহারের মহারাজা নৃপেন্দ্রনারায়ণের সাথত সুনিতী দেবীর বিয়াও নিয়া ভালে কেচাল হৈচিল। বিয়াও বা কেচালের কতা পরে আলোচনা করা যাউক, আগত নৃপেন্দ্রনারায়ণের বিয়াও ঠিক হঠাৎ করি ওত্তিখোনো মানে কলিকাতাত হৈল্ কেংকরি সেইটা কওয়া যাক। নৃপেন্দ্রনারায়ণের আগত যত মহারাজা ছিল সগারে বিয়াও মোটামুটি এত্তিকারে কোনো জমিদারের বেটি বা কামরুপ-কামতা (উদাহরণ হিসাবে যদুনাথ ঈশোরের বেটি) আর নেপালের কোনো

Enable notifications on latest Posts & updates? Yes >Go to Home Page or Non Amp version Page and \"Allow\"