কলিন্দ্রনাথ বর্মণ – কামতাপুরী (রাজবংশী) সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। 

কামতাপুরী ভাষা সাহিত্যের (Kamtapuri Literature) একজন প্রবাদ পুরুষ ছিলেন শ্রী কলিন্দ্রনাথ বর্মণ (Shri Kalindranath Barman)। বর্তমান বাংলাদেশের বোদা উপজেলার (Boda, Bangladesh) দেবীগন্জে কলিন্দ্রনাথ বর্মণ মহাশয় জন্ম গ্রহন করেন। তিনি দেবীগন্জ উচ্চবিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেছেন এবং ছোটোবেলা থেকেই বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ছিলেন। দেবীগন্জ হাইস্কুলে (Debiganj High School) তিনি কৃতি ছাত্র ছিলেন। রায়সাহেব ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার (Raisaheb Thakur Panchanan

রাজবংশী/কামতাপুরী ভাষাত খেয়ালী বর্মনের ছোট্ট  কবিতা কিন্তুক মেলা পোশনো তুলি ধরিল্।

Kheyali Barman [VIDEO]

ল্যাখা আরো কবিতা পাঠ: খেয়ালী বর্মন

উবজন: ২রা নভেম্বর ১৯৯২

জাগা : সাহেবগন্জ, দিনহাটা, কোচবিহার 

খেয়ালী বর্মন ফিজিক্সত মাস্টার ডিগ্রী আরো বিএড কমপ্লিট করিচে। 

মন্তব্য:

এই কবিতার ভাবার্থ আশা করা যায় সগায় বুঝিচে যায় যায় গেরাম থাকি পড়াশুনা করিচে। শহরান্চল থাকি যায় যায় পড়াশুনা করিচে উমারো বেশীর ভাগের একে অবস্থা, শুদ্ধটা কাংও কবার পায় না এই অন্চলের অন্তত। কোচ রাজবংশী কামতাপুরী ছাওয়ালার এইটায় হৈল্ বড় ট্রাজেডি। অতীতকাল থাকি রাজনীতির কারিগরলা কুল্লায় বুঝিচে খালি এখুনা জিনিস বোঝার চেষ্টা করে নাই। হয়ত জাগার, ভাষার, কৃষ্টির, সংস্কৃতির আধিপত্যের ব্যাপার স্যাপার আছে। এলাও যে ঐ কারিগরলা বুঝিয়াও না বুঝির ভান করির ধৈরচে সেইটাও পরিস্কার নাহৈলে একে ভাষার দুইটা নাম দিয়া দুইটা অ্যাকাডেমি খুলি থোয়। এই প্রজন্ম অন্তত এই ব্যাপারলা জানির পাবার ধৈরচে, পরের প্রজন্ম কিন্তুক ছাড়ি কথা কৈবে না – দৃঢ় বিশ্বাস। 

Share this:

Coochbehar King Jitendranarayan’s 2nd Poetry.

2nd poetry by King Jitendranarayan of Coochbehar state which was published on 4th May, 1917 by J.B., Coochbehar. Hope you will enjoy this antique creation during lockdown situation triggered by COVID-19. EGGSPLANATION As life is dull Without ambition; A plug is naught Without ignition. A furnace can But burn with fuel; No tyrant’s bad. Unless

মহারাজা জিতেন্দ্রনারায়ণের কবিতা।

মহারাজা জিতেন্দ্রনারায়ণের পরবর্তী কাব্যগ্রন্থটিও ‘JB.’ ছদ্মনামের আড়ালে কোন ঘটনার স্মারক হিসাবে ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হয়েছে। কাব্যগ্রন্থটির নাম ‘4th of May’। এই কাব্যগ্রন্থ টি কলকাতা আর্ট প্রেস, ১ ওয়েলিংটন স্কোয়ার থেকে প্রকাশিত ও মহারাণী ইন্দিরা দেবীকে উৎসর্গ করা হয়েছে। কাব্যগ্রন্থটির কবিতাগুলিতে হালকা চালে লয় ওছন্দের সমাহার দেখে সত্যি অবাক হতে হয় । তবে সেখানে প্রেমের উচ্ছ্বাসের চাইতে

রায়সাহেব পন্চানন বর্মার (সরকার) “ডাংধরী মাও” শীর্ষক কবিতা।

রায়সাহেব ঠাকুর পন্চানন বর্মার কামতাবেহারী তথা কামতাপুরী ভাষাত ল্যাখা কবিতা এখান কোচ রাজবংশী মানষিলাক সচেতন করিবার জন্যে, সক্রিয় করিবার জন্যে। ডাংধরী মাও চমকি উঠিল্ ডুকরুন শুনি ডাংধরী মাের মাও দিশা দুয়াের নাই, খালি কোল্লহার, দ্যাখে সংসারের ভাও।।  বাপ ভাই এর ঘর, সােয়ামির কোলা আর যেইটে নারী থাকে। জোর করিয়া নুচ্ছা গুন্ডা নিয়া যাইতেছে তাকে। বেড়া

“To Mother” Poem by Maharaja Jitendranarayan of Cooch Behar 1902

1902 সনে মহারাজা জিতেন্দ্রনারায়ন ছোটোবেলাত ইংল্যান্ডের এটন স্কুলত বই পড়ার সমায় মাও সুনিতী দেবীর উদ্দেশ্যত এখান কবিতা লেখিচেন। সেই কবিতাত উমার মাওয়ের পত্তি ভক্তি আর স্বদেশপ্রীতির কথা ফুটি উঠিচে। TO MOTHER(Written at Eton 1902) You ask which country pleases most. Which land I like the best: Or cloudy England’s wave-beat coast, Or else that land of

কবিতার পাতা – কবি দুর্গেশ বর্মন।

সারিন্দা – 2 দুর্গেশ বর্মন ঢাকন খান  সাদাসিলা কিষান ছবিজীবন ডাঙাত কায়বা আছে বাচিবেলা কামাই ফ্যালে হাসে, ঝরির ঝাপ্টা নাগে গাতআনসুরা হয় ঘাটা। আউলি যায় ভুগোল ভুলা খায় ইতিহাসচাইরো পাকে সইশ্যার ফুলনয়া সুরোত কথা কয় সারিন্দা। ছ্যাঙা দুর্গেশ বর্মন মায়া মন্ত্র গাথা বলআলন্দ – গোসার ফাকোতঅদেখা ঢাকন।দোতোরা ডাঙার নাকান ভরা সুরচোখুত, মুখোত জোনাখ দেহাত শান্তির

কামতা সাহিত্যের  “গোসানীমঙ্গল” কাব্যগ্রন্থের মঙ্গলাচরণ  ভণিতা।

মঙ্গলাচরণ  নাম গুরু নিরন্জন, পিতা মাতার শ্রীচরণ,   যাঁর তেজে ব্রহ্মান্ড সৃজন।    নম দেব গণপতি, দুর্গা লক্ষ্মী সরস্বতী,    হরি হর ব্রহ্মা নারায়ণ।।    হরেন্দ্রনারায়ণ রাজা, বেহারে পালেন প্রজা,    যাঁর যশ ঘোষে সর্বজন।    সেই রাজ্যে করে ঘর, সাধু সে করুণাকর,  (করুণাকর – গোসানীমঙ্গল রচয়িতা রাধাকৃষ্ণের পিতা )   পরম বৈষ্ণব গুণধাম।।   তাহার

কবিতার নাম “সন মাষিয়া দ্যাওয়া” কবি রোহিত বর্মন।

  সন মাষিয়া দ্যাওয়া    📝রোহিত বর্মন     ঝিমির ঝিমানি ঝড়ি  সন মাষিয়া দ্যাওয়া।  হামার মানষি গাড়ে  ভালেই করিয়া রোয়া।      ঝিম ঝিমানি বৃষ্টি   সগায় করেছে কাম।  পাতার গেলে মানষি  নিজেরে করেছে নাম।      ঝড়ি আইসে গড়িয়ে নদীত মারেছে মাছ।  মাছ বেচেঁয়া সগায় খালিই করেছে রাজ।      ডাইরকা পুটি মাছ  সগারে

কবিতার নাম “কৃষকের ক্ষেত” – কবি রোহিত বর্মন।

কৃষকের ক্ষেত 📝রোহিত বর্মন চারিদিকে সোনালী রঙে ভরা মাঠ রোজ সকালে সবাই মিলে চলে হাট। যেই দিকে দুনয়ন যায় শস্য ভরা চারিদিকে কৃষকের ক্ষেত দিয়ে মোরা। রোজ সকালে চাষির দল চলছে মাঠে সকাল-বিকাল সবাই মিলে ধান কাটে। এই ধান দিয়ে তৈরি হয় চাউল ওই চাউল দিয়ে সেবা করবে বাউল। বলদ দিয়ে করছে কৃষক মাঠ চাষ

Enable notifications on latest Posts & updates? Yes >Go to Home Page or Non Amp version Page and \"Allow\"